জাতীয় জাদুঘরে নজরুল ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রদর্শনী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও নজরুল ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী কাজী নজরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে শিল্পকর্ম ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও নজরুল ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী কাজী নজরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে শিল্পকর্ম ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ১৪ আগস্ট শনিবার  সকাল ১০টায় জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে।

১৪ আগস্ট শনিবার থেকে ১৬ আগস্ট রোববার পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে বিশাল আলোকিত কক্ষে ঢুকে চোখে পড়ে কাইয়ুম চৌধুরী, হাশেম খানসহ নানা শিল্পীর আঁকা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। সাথে দুর্লভ সব আলোকচিত্র এবং বিভিন্ন লেখক ও খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বের উক্তি নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রদর্শনী। এমন একটি উক্তি করেছেন সেলিনা হোসেন বঙ্গবন্ধু এবং নজরুল সম্পর্কে। তিনি বলেছেন ‘একজন সাহিত্যের মাধ্যমে বাঙালির গৌরবকে  সাহসের সাথে উচ্চারণ করেছেন, অন্যজন বাঙালিকে প্রতিবাদী চেতনায় প্রদীপ্ত করেছেন। প্রদর্শনীতে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু এবং নজরুলের নানা কর্মময় দিক। এখানে প্রদর্শন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সাথে নানা রাষ্ট্রপ্রধান এবং তৎকালীন বিশ্বনেতাদের ছবি।

এখানে স্থান পেয়েছে নজরুল এবং বঙ্গবন্ধুর একত্রে একান্ত কিছু মুহূর্ত। নজরুলের ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার পুরো যাত্রাটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আলোকচিত্রের মাধ্যমে। তাছাড়া নজরুল অসুস্থ থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর দেখতে যাওয়ার ছবিও আছে এখানে। তবে এখানে কোনো শিল্পীর আঁকা নজরুলের কোনো ছবি নেই।

সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন  ‘আমরা এখানে সমবেত হয়েছি আমাদের দেশের দুই উজ্জ্বল নত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ করার জন্য। দুজনের মধ্যে একজন রাজনৈতিক কর্মকা-ের মাধ্যমে এবং অন্যজন লেখনীর মাধ্যমে এ দেশকে পরাধীনতা মুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।’

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই মাস শোকের মাস। এই মাসে আমরা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। বাংলা সাহিত্য ও রাজনৈতিক অঙ্গনের এই তিন মনীষী আমাদেরকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছেন, অসাম্প্রদায়িকতার বাণী শুনিয়েছে। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু কাজী নজরুল ইসলামকে গভীরভাবে ভালবাসতেন।  তিনিই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিলেন।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময় ১৮৩৫, আগস্ট ১৪, ২০১০

বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
একা প্লেনে করে মায়ের কাছে ফিরলো পাঁচ বছরের বিহান
২০০ এতিম শিশুদের নিয়ে ঈদ উদযাপন
নজরুলজয়ন্তীতে ছায়ানটের নিবেদন
মঈনুল আহসান সাবেরের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

মঈনুল আহসান সাবেরের জন্ম



চট্টগ্রামে ঈদের দিন করোনায় আক্রান্ত ১৭৯ জন
গান-আড্ডায় করোনা রোগীদের ঈদ উদযাপন ফিল্ড হাসপাতালে
প্লেন চালুর শুরুতেই ধাক্কা ভারতে, একের পর এক ফ্লাইট বাতিল
দেশবাসীকে ঘরে থাকার আহবান খালেদা জিয়ার
নারায়ণগঞ্জে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত