হ্যাপি বার্থডে চ্যানেল আই

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল বাংলা স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ পথচলার ‘একযুগ’ পার করলো ১ অক্টোবর ২০১১ শনিবার। ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ চেতনা নিয়ে ১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর পথচলা শুরু হয়।

বাংলা ভাষার প্রথম ডিজিটাল বাংলা স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ পথচলার ‘একযুগ’ পার করলো ১ অক্টোবর ২০১১ শনিবার। ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ চেতনা নিয়ে ১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর পথচলা শুরু হয়।

যুগপূর্তি উপলক্ষে চ্যানেল আই দেশজুড়ে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। দেশের কোন কোন জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে দশদিনব্যাপী কর্মসূচি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে অর্থাৎ ১ অক্টোবর ২০১১ তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই ভবন প্রাঙ্গণে রয়েছে দিনব্যাপী মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সকালে চ্যানেল আই কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে দিনের কার্যক্রম। সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবেন দেশের খ্যাতিমান তারকারা। ওই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবেই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে কাটা হবে যুগপূর্তির কেক। এসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ,সরকারি দল, বিরোধীদলীয়  থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের সুধীবৃন্দ।

এছাড়া চ্যানেল আই এর পর্দায় রয়েছে টানা কয়েকদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। এসব অনুষ্ঠানের প্রায় সবই নির্মিত হয়েছে চ্যানেল আইয়ের কর্মকর্তা ও কলাকুশলীদের অংশগ্রহণে। এছাড়া প্রতিবারের মতো এবারও থাকছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ নাটক হুমায়ুন আহমেদ এর ‘আংটি’।

চ্যানেল আই এর যুগপূর্তি উপলক্ষে মাননীয় রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। দেশের সকল জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রকাশ হচ্ছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

চ্যানেল আই-এর যুগপুর্তির প্রাক্কালে অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে চ্যানেল আই-এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন- এক আশ্চর্যময় টেলিভিশন চ্যানেলের অধিকারী চ্যানেল আই পরিবার। অধিকারী তারা ১২ বছর ধরে। সময়টা অতিক্রম করেছে একেবারে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে। যে চ্যানেলের ঝকঝকে পর্দার এককোণে একটি লোগো। লোগোটিতে জ্বলজ্বল করে লালসবুজ পতাকার রঙ। বাঙালি সংস্কৃতির চোখ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। সেই লোগো’র ধারক-বাহক ৬০ হাজার স্কয়ার ফুটে বসবাস করা ৬০০ জন সৃজনশীল কারিগর। এটাই প্রাথমিক ধারণা। কিন্তু এর শুভাকাংখী, দর্শক, কর্মীবাহিনী নেপথ্যে ছড়িয়ে আছে সারা পৃথিবীর ৬ মহাদেশে। এ  কারিগরেরা নিত্যনতুন অনুষ্ঠান নির্মাণে দক্ষ। সার্থক। অপ্রতিরোধ্য। একটি যুগ পেরিয়েছে এ পরিবার। দেশের-বিদেশের আরও অসংখ্য চ্যানেল থেকে নিজেদের বিশিষ্টতা আলাদা রেখে যুগ-যুগান্তরে পৌঁছবে এই পরিবার।

চ্যানেল আই-এর যুগপুর্তির অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে চ্যানেল আই-এর পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন- চ্যানেল আইয়ের ফেলে আসা বারোটি বছর ছিল খুব বেশি দায়বদ্ধতার। গণমানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার। আজ গণমাধ্যমের বিকশিত সময়ে টেলিভিশন যথেষ্ট বাণিজ্যনির্ভর খামখেয়ালিপনার দিকে ঝুঁকছে। চ্যানেল আই পথচলার প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত চেষ্টা করেছে এই প্রবণতা থেকে বিরত থাকতে। কিছু ব্যর্থতা যে নেই তা নয়। তারপরও সবসময়ই চ্যানেল আই স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছে, সর্বস্তরের জনগণই আমাদের শক্তি। পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে চ্যানেল আই নাড়া দিচ্ছে বাঙালির চেতনা- এটি আমাদের অনেক বড় অর্জন।

বাংলাদেশ সময় ০১৩০, অক্টোবর ২০১১

শেবামেকে করোনা ল্যাব, বুধবার শুরু হচ্ছে প্রশিক্ষণ-টেস্ট 
যাত্রাবাড়ীতে কর্মহীন মানুষের মধ্যে যুবলীগের ত্রাণ বিতরণ
করোনা সেবা দেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা
চলে গেলেন রিয়াল, বার্সা, অ্যাতলেটিকোর সাবেক কোচ অ্যান্টিচ
করোনা: বরিশাল জেলায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা


সাজেকে ‘হাম-রবেলা’ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু
ত্রিপুরায় করোনায় আক্রান্ত একজন শনাক্ত
বিনিয়োগ বাড়লেও ইপিজেডে কমেছে জনবল
করোনা: লালমনিরহাটে বেগুনের কেজি ২ টাকা!
হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ায় রাস্তায় ইজিবাইকে জন্ম নিলো শিশু