সবকিছুর ওপরে আধুনিক সিনেমা হল!

আশরাফুল ফেরদৌস (প্রদায়ক) | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্রকে প্রাণবন্ত করে তোলার ক্ষেত্রে আধুনিক প্রেক্ষাগৃহের জুড়ি নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মনোরম পরিবেশ কিংবা আরামদায়ক বসার আসনের সঙ্গে যদি যুক্ত হয় ঝকঝকে প্রিন্টের ছবি ও সুন্দর সাউন্ড ইফেক্ট, তাহলে ষোলআনা পূর্ণ হয়। এমন আমেজ পেলেই দর্শকরা ঘটনার সঙ্গে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার উৎসাহ পায়।

এ ধরনের প্রেক্ষাগৃহে সায়েন্স ফিকশন, অ্যাকশন, থ্রিলার, অ্যাডভেঞ্চার, ফ্যান্টাসি, হরর প্রভৃতি ধাঁচের ছবি দেখাটা বেশি উপভোগ্য হয়। কিন্তু দেশের সব অঞ্চলের দর্শকরা কবে এমন সুবিধা পাবে? 

প্রেক্ষাগৃহ সাধারণত দু’ ধরনের। বাসাভিত্তিক (হোম থিয়েটার) প্রেক্ষাগৃহ ও বাণিজ্যিক (সিনেমা হল) প্রেক্ষাগৃহ। আধুনিক বিশ্বের প্রেক্ষাগৃহগুলোকে যদি মানদণ্ড ধরা হয়, তাহলে বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে। তবে বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস এদিক দিয়ে আধুনিক দর্শকদের বিশ্বমানের ছবি উপভোগের আনন্দ দিচ্ছে।

যদিও এ ধরনের প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা ব্যয়বহুল। এজন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা সাজাতে হয়। কারণ মাল্টিপ্লেক্সগুলোর দেয়ালের গঠন সাধারণ সিনেমা হলের মতো হয় না। এর গাঁথুনি হয় আরও মজবুত, যাতে প্রচন্ড শব্দে (ভাইব্রেশন) ভবনের স্থাপত্যের কোনো ক্ষতি না হয়। অন্যদিকে সিনেমা হলের পর্দা থেকে কতোটা দূরে নতুন প্রজেক্টর বসালে ঠিক মতো প্রোজেক্ট করা যাবে, পর্দার কাপড় কেমন হবে বা কাপড়ের পর্দা ব্যবহার করা যাবে কি-না সেসব বিষয়ও জানা থাকতে হয়। 
 
দেশে এখনও অনেক প্রেক্ষাগৃহ টিকে থাকলেও দিন দিন এগুলোর অবস্থা নাজুক (বন্ধ) হয়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এটা চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য ভালো খবর নয়। ভালো ছবি দর্শকের কাছে প্রিয় করে তোলার জন্য চাই উন্নতমানের প্রেক্ষাগৃহ।  

‘আয়নাবাজি’ ছবির পোস্টারগত বছরের সবচেয়ে আলোচিত ছবি ‘আয়নাবাজি’। স্টার সিনেপ্লেক্স বা ব্লকবাস্টার সিনেমাসে ছবিটি যারা দেখেছেন তাদের অভিজ্ঞতা একরকম। অন্য সিনেমা হলে যারা দেখেছেন তাদের অভিজ্ঞতা আরেক রকম। নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌউধুরি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেনও- তার ছবিটি সঠিকভাবে প্রদর্শন সম্ভব হয়েছে শুধু এ দুটি প্রেক্ষাগৃহে। কারণ তিনি ‘আয়নাবাজি’ ডিজিটালি (ডিজিটাল ক্যামেরা ও সাউন্ড রেকর্ডিং) এনকোড করেছেন, তাই সঠিকভাবে ডিকোড করে এটি প্রদর্শনের যন্ত্র শুধু এ দুই প্রেক্ষাগৃহেরই আছে। 

ভালো মানের চলচ্চিত্রের সঙ্গে উন্নত সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন সিনেমা হল থাকলে দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে আসার স্পৃহা পায়। এজন্য হলমালিকদের এগিয়ে আসতে হবে। এ সময়ের চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রেক্ষাগৃহ তৈরি করা উচিত তাদের। দিনের শেষে সবকিছুর ওপরে আধুনিক সিনেমা হল। 

বাংলাদেশ সময়: ১২২০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৮, ২০১৬
এসও/জেএইচ

তিন সপ্তাহের জন্য ছিটকে গেলেন মেসি
আড়াইহাজারে গুলিবিদ্ধ ৪ মরদেহ উদ্ধার
দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে লাখো মানুষ
ভালুকায় অসাবধানতায় প্রাণ গেলো শ্রমিকের 
মধুপুরে ইয়াবাসহ পৌর কাউন্সিলর ও ২ সহোদর আটক
সালাহ’র নৈপুণ্যে লিভারপুলের জয় 
অদ্ভুত ইন্টারনেট চ্যালেঞ্জ!
নেইমার ছাড়া দাপুটে জয় পিএসজি’র
বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের চমক সুলতান মনসুর!
সিলেট চেম্বারের চ্যাম্পিয়নশিপ অ্যাওয়ার্ড লাভ