ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০, ১৩ জিলহজ ১৪৪১

নির্বাচন ও ইসি

শফিউলের বিরুদ্ধে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত কমিটিতে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৩-১২ ০৮:০৩:৩৩ পিএম
শফিউলের বিরুদ্ধে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত কমিটিতে

ঢাকা: আসন্ন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। আর সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম শাহাতাব উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে সুপারিশ পাঠাতে বলেছি। তদন্তে যে প্রতিবেদন আসবে, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আছে, তাদেরও ইতোমধ্যে আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়গুলোর ওপর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ’
 
আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন বিএনপি শেখ রবিউল আলম।
 
১১ মার্চ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রে শেখ রবিউল আলম লিখেছেন- প্রচার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের যে সমঝোতা হয়েছিল, তা ভঙ্গ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ঢাকা-১০ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় নৌকা প্রতীকের পিভিসি ব্যানার ও ফেস্টুন সাঁটিয়েছেন।
 
এছাড়া তিনি নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাতে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারের কার্যালয় খুলেছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটির পরিবর্তে একাধিক কার্যালয় স্থাপন করেছেন। মুজিববর্ষ উদযাপনের নামে নির্বাচনী এলাকায় যত্রতত্র নৌকা প্রতীকের অফিস খোলা হয়েছে এবং শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন সেখানে অসংখ্য রঙিন নৌকা প্রতীকের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগিয়েছেন। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, মুজিববর্ষের নামে নির্বাচনী এলাকায় যে সব গেট ও তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে, আচরণবিধি ভঙ্গ করে সেগুলোতে নৌকা প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে।
 
বিষয়গুলো আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধও করেছেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।
 
রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহাতাব উদ্দিন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থী বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় অভিযোগ করেছেন। আমরা সেটা আমলে নিয়ে আজকেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। নির্বাচন একটা বড় বিষয়। কেউ যাতে আইনের কোনো ব্যত্যয় না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা সব ব্যবস্থা নিচ্ছি।
 
আগামী ২১ মার্চ এ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার দক্ষিণের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করায় এ আসনটি শূন্য হয়েছিল।
 
নির্বাচনে ছয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অন্যরা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. শাহজাহান ‘লাঙল’, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরীর ‘ডাব’, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী ‘হারিকেন’ এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহীম ‘বাঘ’ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালাচ্ছেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ২০০০ ঘণ্টা, মার্চ ১২, ২০২০
ইইউডি/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa