ফেনী-১ আসনে খালেদার মনোনয়নপত্র বাতিল 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ফটো

walton

ফেনী: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম)  আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। 

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজার কথা উল্লেখ করে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রোববার (০২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে  রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজ্জামান তা বাতিল ঘোষণা করেন। 

শুনানির সময় তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। জন প্রতিনিধি অধ্যাদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মো. শাহীনুজ্জামান বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই দুর্নীতি মামলায় সাজা রয়েছে। পুলিশের এ তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্নিং অফিসার খালেদা জিয়ার মনোনয়নটি বাতিল করেন। 

এ শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের। তিনি বলেন, মামলাটির ব্যাপারে উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়া আপিল করেছেন। আমরা নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে আপিল করবো। 

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু খালেদা জিয়ার পক্ষে এ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

এছাড়া এই আসনে বিএনপি মনোনীত নূর আহম্মদ মজুমদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বশর চৌধুরী ও মিজানুর রহমানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। আর ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ছবি: বাংলানিউজতারা হলেন- জাসদের শিরীন আখতার, বিএনপির রফিকুল আলম মজনু, ইসলামী আন্দোলনের কাজী গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের শাহরিয়ার ইকবাল, গণফোরামের এবিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, খেলাফত আন্দোলনের আনোয়ার উল্লাহ ভুঁইয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী) শেখ আবদুল্লাহ ও খায়রুল বাশার মজুমদার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের তারেকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কাজী নুরুল আলম ।

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে প্রথমবারের মতো এবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। কারাগারে থাকলেও ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে প্রার্থী করেছে দলটি। 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদাকে ৫ বছরের দণ্ড দেন আদালত। এরপর ওইদিন থেকেই ঢাকার পুরান কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি। 

কারাগারে যাওয়ার আট মাসের মাথায় গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

পরবর্তীতে সাজা কমানোর আবেদন করেন খালেদা জিয়াসহ তিন আসামি। কিন্তু গত ৩০ অক্টোবর তা খারিজ করে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশ সময়: ১১৪৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০২, ২০১৮/আপডেট: ১২৩৯ ঘণ্টা
এসএইচডি/এমএ

দোষ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চাইলেন বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ
সচেতন হচ্ছে না মানুষ, জনসচেতনতা তৈরিতে ব্যস্ত প্রশাসন
করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ডিজিটাল ম্যাপ সমৃদ্ধ করছে যুবকরা
করোনায় বাবার পর ইতালিয়ান সাবেক অ্যাথলেটের মৃত্যু
কর্ণফুলীতে ‘প্রমোদ’ ভ্রমণ, আটকালেন ম্যাজিস্ট্রেট


বরিশালে পৃথক দুর্ঘটনায় শিক্ষিকাসহ ২ নারীর মৃত্যু
শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ড থেকে পালালো ২ রোগী!
বরিশাল বিভাগে হোম কোয়ারেন্টিন শেষে ছাড়পত্র পেলেন ৩ হাজার
কয়রায় বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে ৫ গ্রামের মানুষ
ইরানে করোনায় মৃত্যু ৪ হাজার ছুঁইছুঁই, ঋণসহায়তা চান রুহানি