তিন ধাপে দেড় লাখ ইভিএম কেনার প্রস্তাব

মফিজুল সাদিক, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন

ঢাকা: একসঙ্গে দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) না কিনে তিন ধাপে কেনার প্রস্তাব দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ। এ মেশিন ব্যবহারে ভোটারের সচেতনতা বৃদ্ধি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বহির্ভূত প্রকল্প হওয়ায় এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ইসিকে।

ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে দেড় লাখ ইভিএম কিনতে পরিকল্পনা কমিশনে চলতি বছরের ১৬ আগস্ট প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গত রোববার (১৯ আগস্ট) বেলা ১২টার সময় শেরে-বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো এ প্রকল্পের ওপর পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির) সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। এর মধ্যে হঠাৎ করেই সভা স্থগিত হয়।

তবে মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) কোনোরকম ঘোষণা ছাড়াই পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো বিভাগে অনুষ্ঠিত হয় পিইসি সভা। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সভাটি চলে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সদস্য (সচিব) মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত। সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যাতে উপস্থিত ছিলেন ইসির কর্মকর্তারা।

এতে সিদ্ধান্ত হয়, পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে আগামী মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) একনেক সভায় দেড় লাখ ইভিএম কেনা প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে। 

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, দেড় লাখ ইভিএম কেনা প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বহির্ভূত। এসব প্রকল্পে পিইসি সভায় শুরু হওয়ার আগে পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদন লাগে। তবে প্রকল্পটি মন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। ফলে একনেক সভায় উঠতে কোনো বাধা নেই। 

পিইসি সভায় উপস্থিত থাকা এক কর্মকর্তা বলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী যেখানে অনুমোদন দিয়েছেন, সেখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তবে তিন ধাপে দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য ইসিকে প্রস্তাব দিয়েছি। কারণ একসঙ্গে দেড় লাখ ইভিএম কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সমস্যা হবে। সাধারণ ভোটারদের ব্যবহারেরও বিষয় আছে।

এ প্রকল্পে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৭ লাখ টাকা। শুধু দেড় লাখ ইভিএম, সিস্টেম এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ৩ হাজার ৫১৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ফলে প্রতি ইউনিট ইভিএমের দাম পড়ছে প্রায় দুই লাখ টাকা।

প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ চলতি সময় থেকে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত। হাতে সময় প্রায় ৫ বছর। এই সময়ের মধ্যে ধাপে ধাপে কেনা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে সংশ্লিষ্টদের।

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, পরবর্তী একনেক সভায় ইভিএম কেনা প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে। আমরা প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়ে রাখবো। এরপরে ধাপে ধাপে বছর অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ দিয়ে ইভিএম কিনবো। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যান্ত। একেবারে দেড় লাখ ইভিএম না কিনে ধাপে ধাপে কিনবো। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২০২৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮
এমআইএস/জেডএস

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: নির্বাচন কমিশন নির্বাচন ইভিএম
ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লেন মেসি
রোনালদোর ৪০০ গোলের মাইলফলকেও জয়বঞ্চিত জুভেন্টাস
ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান
৭ প্রকল্পে মিলেছে সৌদি ঋণ, পাইপ লাইনে ৪ প্রকল্প
আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

আলফ্রেড নোবেলের জন্ম

শেষ মুহূর্তে ম্যানইউ’র হোঁচট, কোচের ধ্বস্তাধস্তি 
হেড-নেক ক্যান্সার প্রতিরোধে তামাক দ্রব্য পরিহার
গণতন্ত্র রক্ষায় সবকিছু করতে প্রস্তুত আ.লীগ
রাবিতে মাথাচাড়া দিয়েছে ভর্তি জালিয়াত চক্র
দুর্বল বার্নলিকে উড়িয়ে দিয়ে শীর্ষে গার্দিওলার সিটি