মধ্যরাতে থামলো প্রচারণা, ভোট সোমবার

শরীফ সুমন, নাসির উদ্দিন ও মুশফিক সৌরভ | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের লোগো।

walton

ঢাকা: টানা ১৮ দিনের প্রচারণা শেষে থামলো রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণার ঢোল।

শনিবার (২৮ জুলাই) দিনগত মধ্যরাতের নীরবতায় হিম হলো জয়-পরাজয়ের ভাবনা। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার দীর্ঘশ্বাসে শুরু হলো ভোটের সেই কাঙ্ক্ষিত প্রহর। কে হাসবেন শেষ হাসি, কে বসবেন নগর পিতার মসনদে? ব্যালটের রায়ের সেই অপেক্ষায় আজ থেকে সেকেন্ড, মিনিট ও ঘণ্টা গণনা করবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

৩০ জুলাই (সোমবার) ওই তিন সিটি করপোরশন নির্বাচনের ভোট। তাই শেষ দিনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় জমজমাট ছিল সিটিগুলোর পাড়া-মহল্লার অলিগলি। বৃষ্টি ও মেঘাচ্ছন্ন বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে ভোটারদের কাছে শেষবারের মতো ভোটের জন্য কাকুতি-মিনতি করেছেন প্রার্থীরা।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এই লক্ষ্যে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয় শনিবার দিনগত রাত ১২টায়।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বাংলানিউজকে জানান, রাসিক নির্বাচনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ২১৭ জন। এর মধ্যে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। আর ৩০টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আছেন ১৬০ জন প্রার্থী। এছাড়া ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদের প্রার্থী ৫২ জন।

এ সিটির ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। মোট ভোটারের মধ্যে এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী ভোটার এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন।

রাজশাহীতে এবার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৮টি এবং বুথের সংখ্যা রয়েছে এক হাজার ২০টি। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি বুথে একজন করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং দুইজন করে পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এবার নগরীর দুইটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। কেন্দ্র দুইটি রয়েছে রাজশাহীর বিবি হিন্দু একাডেমিতে। সেখানে আলাদাভাবে মহিলা ও পুরুষ ভোট কেন্দ্র রয়েছে।

এখানকার ইভিএমে পুরুষ ভোট কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন এক হাজার ৬৩৭ জন। আর নারী ভোট কেন্দ্রে ভোটার এক হাজার ৭৪৬ জন। পুরুষ কেন্দ্রে ৫টি এবং নারী কেন্দ্রে বুথ রয়েছে ৬টি।

সিলেটে শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচারণা চালিয়েছেন। তার সর্বশেষ নির্বাচনী সমাবেশ ছিল নগরের ক্বীনব্রিজ সংলগ্ন সারদা হলের সামনে। বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীও নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে শনিবার বিকেলে সর্বশেষ শোডাউন করেছেন। একইভাবে অন্য চার মেয়র প্রার্থী, সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও শোডাউন করতে দেখা গেছে। শেষ দিনে একাধিক নির্বাচনী সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন প্রার্থীরা।

অপরদিকে, সন্ধ্যায় বরিশাল নগরের সদররোড বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামন থেকে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে মিছিল করার প্রস্তুতি নিলে সেখানে প্রশাসন বাধা দেয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিএনপিকে পথসভা করার জন্য বলা হলেও তারা মিছিল করতে চেয়েছিল। কিন্তু পরে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরেই সংক্ষিপ্তভাবে বক্তব্য রাখেন দলের মেয়র প্রার্থী মজিবুর রহমান সরোয়ার।

এসময় তিনি নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেলো।

চমক দেওয়ার মতো প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে কখনো কাদায় খালি পায়ে হেঁটেছেন, কখনও বা রিকশায় চড়েছেন আবার কখনো নৌকায়। ভোটারদের সঙ্গে প্রচারণার মাঠে সেলফি তুলেও বেশ আলোচনায় এসেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরওয়ার।

এছাড়া শনিবার শেষ দিন বিকেলে নৌকা প্রতীকের সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষে নগর ভবনের সামনের সড়কে পথসভা করে আওয়ামী লীগ।

বাংলাদেশ সময়: ০৬৩৪ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৮
এসএস/এনইউ/এমএস/টিএ

মাগুরায় যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি তৈরিতে হচ্ছে সাগরলতা বনায়ন 
ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা সন্দেহে ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ 
নদী তীরের মাটি কাটায় সোয়া লাখ টাকা জরিমানা
ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করলো ‘সহযোগী’


উপোস থাকবে না রাস্তার কুকুরগুলোও
দেশের ৯ জেলায় ছড়িয়েছে করোনা সংক্রমণ 
না’গঞ্জের পুরাতন পালপাড়ায় অঘোষিত লকডাউন 
র‌্যাব সদস্য করোনা আক্রান্ত, টেকনাফে ১৫ বাড়ি-দোকান লকডাউন
তালিকা টাঙিয়ে হঠাৎ ১৮৯ পোশাক শ্রমিককে অব্যাহতি