ঢাকা, বুধবার, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০, ২১ জিলহজ ১৪৪১

শিক্ষা

সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগ

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৪৭ ঘণ্টা, জানুয়ারী ২৪, ২০২০
সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ঢাবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি): ‘জবাবদিহিতার জন্য হিসাববিজ্ঞান’ (অ্যাকাউন্টিং ফর অ্যাকাউন্টিবিলিটি) প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অডিটর জেনারেল মুসলিম চৌধুরী ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহিদুল্লাহ।  

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, সেলিব্রেশন কমিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন সাহা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এম মঈন উদ্দীন খান ও সমাপনী বক্তব্য দেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রিয়াজুর রহমান চৌধুরী।
 
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী আবদুল মান্নান বলেন, আমরা যারা সরকারে কাজ করছি তাদের সঙ্গে অ্যাকাউন্টিংয়ের যোগসূত্র আছে। আমাদের জন্য ভয়ংকর শব্দ হচ্ছে জবাবদিহিতা। জনগণ আমাদের কাজের দিকে তাকিয়ে আমরা কি করছি। আমরা যে সরকারি অর্থ ব্যবহার করছি তার মধ্যেই এ জবাবদিহিতা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধির মাপ বা যাই বলি না কেন সবকিছু আমরা এ অ্যাকাউন্টিংয়ের মাধ্যমে পাই। পরিসংখ্যান তৈরিতে আপনাদের ভূমিকা প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সঙ্গে সঙ্গে সভ্যতার মাপকাঠিতে বিশ্বমানে নিয়ে যেতে পারি সেজন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

উদ্বোধনকালে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্যের বার্তাটি আমরা সবাই যেন গ্রহণ করি। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর যেসব ভাষণ রয়েছে সেই সব ভাষণের মধ্যেও এ জবাবদিহিতার কথা আছে। আমাদের যে ভিশন আছে সেটার মধ্যেও এই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার কথা উল্লেখ আছে। আমরা যদি এ বিষয় নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে আমরা এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) বাস্তবায়ন করতে পারব না।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহিদুল্লাহ বলেন, সফলতা সহজে আসে না। আমরা যখন পড়াশুনা করি, তখন ব্যবসা প্রশাসন শিক্ষার আজকের অবস্থান ছিলনা। তখন বেশি চাহিদা ছিল কলা ও বিজ্ঞান বিষয়ের প্রতি। এজন্য প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সংগ্রাম করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের দেশে ব্যবসার উন্নতি হয়েছে। একারণেই আমাদের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহতাব উদ্দীন আহমেদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের সময়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম একশ জনের মধ্যে ৯০ জনই অ্যাকাউন্টিং বিভাগ নিতেন। বর্তমানে দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে বিভিন্ন সংগঠন পরিচালনায় এ বিভাগের প্রাক্তনরা ভূমিকা রাখছেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০২০
এসকেবি/এবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa