উন্নত বাংলাদেশের প্রধান হাতিয়ার মানবসম্পদ: ড. সাজ্জাদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি:সংগৃহীত

walton

ঢাকা: উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবসম্পদকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক মো. ড. সাজ্জাদ হোসেন।



তিনি বলেছেন, আমাদের ৮ কোটি তরুণ রয়েছে, যাদের বয়স ১৫-৩৫ বছর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি ভালো সময় পার করছি। এখানে আমাদের প্রধান সম্পদই হচ্ছে এই তরুণরা। বৈশ্বিক অর্থনীতিবিদরাও তাই বলছেন। আমাদের এই সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ উন্নত বাংলাদেশের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে এই মানবসম্পদ।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলায় আয়োজিত এক সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মানব সম্পদ উন্নয়ন ও ডিজিটাল দক্ষতা’ শীর্ষক এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (বিডিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমাদের মাইন্ড সেট- হয়েছিল বলেই আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তর পেয়েছি, স্বাধীনতা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা জাতির পিতার সোনার বাংলা বিনিমার্ণে যে মাইন্ড সেট তৈরি করেছি, ভিশন-২০২১, ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখছি এবং ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার বিষয়টি একটি রূপরেখা হয়ে গেছে।

‘এক্ষেত্রে মানবসম্পদ তৈরির দৃষ্টিভঙ্গি চেঞ্জ করতে হবে। দেশপ্রেমকে জাগ্রত করতে হবে। সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টকে কাজে লাগাতে হবে। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য আমাদের হাতে সময় আছে মাত্র ২১ বছর।’

তিনি বলেন, আমরা এখন সুদিনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এটা আমাদের জন্য সুযোগ। এটাকে কাজে লাগাতে হবে। কেননা মানব সম্পদ উন্নয়ন ও ডিজিটালি তাদের দক্ষতা বাড়ালে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য সুদিন অপেক্ষা করছে। কেননা সভ্যতাই দেখিয়েছে দক্ষতার বিকল্প নেই।

দক্ষ মানবসম্পদের কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মানুষের যেমন বিকল্প নেই, তেমনই দক্ষতারও বিকল্প নেই। এখনে সম্পদ হয়ে যাচ্ছে ইনফরমেশন, সম্পদ হয়ে যাচ্ছে টেকনোলজি।

‘আমাদের ম্যান পাওয়ার রয়েছে। এই ম্যানপাওয়ারকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের শুধু ব্যাচেলার ডিগ্রি হলেই উন্নত দেশ হতে পারবো না, এক্ষেত্রে যেকোনো একটা ট্রেডে দক্ষ চাই।  একজন ব্যাচেলার ডিগ্রিধারী দক্ষ ইলেক্ট্রাশিয়ানও হতে পারে, এতে লজ্জার কিছু নেই। উন্নত দেশগুলোতে সেটাই হয়।’

তিনি বলেন, আমরা যে উন্নয়নের কথা বলছি সেখানে শুধু সার্টিফিকেটধারী গ্র্যাজুয়েট হলেই হবে না। এই জায়গায় আমাদের পরিবর্তনের সময় এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পক্ষ থেকেও আমরা কাজ করছি।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু সার্টিফিকেট নিয়ে চিন্তা করলে করলে হবে না। স্কিলটাকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা ভোকেশনাল ট্রেনিং করতে পারি, ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করতে পারি। সেই জায়গায় আমাদের নজর দিতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০০৩৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৭, ২০২০
এমএমএস

৬ বছর পর কোন্দলপূর্ণ শিবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন
'লাইটিং দ্য ফায়ার অব ফ্রিডম' দেখলেন প্রধানমন্ত্রী-রেহানা
ইতালিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু
ফেনী ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের আলোকচিত্র প্রদর্শনী
মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকালে আটক ৪ 


জাতীয় হ্যান্ডবল দলের গোলরক্ষক সোহান দুর্ঘটনায় নিহত
গ্রন্থমেলায় মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের ‘ভালোবাসার গল্প’
কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসে অন্যরকম একুশ
চুনারুঘাট সীমান্তে ভারতীয় মুদ্রাসহ আটক ৫
শহীদদের ‘স্মৃতিচিহ্ন’ এঁকে পুরস্কার পেলো শিশুরা