php glass

‘ভালো মানের বীজ লাগালে ২০ শতাংশ অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বক্তব্য রাখছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ উদ্দীন আহমেদ। ছবি: বাংলানিউজ

walton

ঢাকা: ভালো মানের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বীজ অনু বিভাগের মহাপরিচালক আশরাফ উদ্দীন আহমেদ।

তিনি বলেন, সপ্তম-পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা ও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে চাহিদা মাফিক ভালো মানের বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সস্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় বীজ মেলা ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং এ তিনি এ কথা বলেন।

আশরাফ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ফসলের উৎপাদনশীলতার ওপর নির্ভর করে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি। এজন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী কর্মসূচি ও নীতি বাস্তবায়ন করছে। ফলে খোরপোষের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৪০৯ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে যার ফলে দেশ খাদ্যেস্বয়ংসম্পূর্ণ। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

২০২০-৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে ভালো মানের বীজের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের ওই সচিব ।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ফরম্যাল সেক্টরে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ২৬ শতাংশ ভালো মানের বীজ চাষি পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়। প্রধান দানাশস্য ফসল ধান ও গমের ক্ষেত্রে মানসম্মত বীজের সরবরাহ যথাক্রমে ৫৩ দশমিক ৭২ শতাংশ ও ৬০ দশমিক ৭৮ শতাংশ ধান বীজের ক্ষেত্রে মৌসুমওয়ারী বোরো, আউশ ও আমন মৌসুমে ভালো মানের বীজের সরবরাহ শতকরা হার যথাক্রমে ৯৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ২৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।

এছাড়া বাংলাদেশে এসডিজি-২ অর্জনের জন্য ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাতের মানসম্মত বীজের সরবরাহ ২০২০-২১ সালে ৪ লাখ ৪ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন, ২০১৪-২৫ সালে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন এবং ২০২৯-৩০ সাড়ে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টনে উন্নীত করা প্রয়োজন।

আশরাফ উদ্দীন বলেন, কৃষির মূল উপকরণ হচ্ছে বীজ। বীজ উদ্ভিদ জগতের ধারক ও বাহক। বীজই ফসল উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ফসলের উৎপাদনশীলতার ওপর নির্ভর করে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি। খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য প্রয়োজন ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, যার অন্যতম নিয়ামক শক্তি হলো ভালো মানের বীজ ।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় বিগত ১০ বছরে ধান-গম, পাট-ভুট্টা, সবজি, তেল ও মসলাসহ বিভিন্ন ফসলের গুণগত মানসম্মত বীজ সরবরাহ দেড়গুণেরও বেশি বেড়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বিভিন্ন ফসলের গুণগত মানসম্মত বীজ উৎপাদনের পরিমাণ এ পর্যন্ত এক লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৪ মেট্রিক টন এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১২ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টনের প্রয়োজনের বিপরীতে উৎপাদিত ৩ লাখ ২৯ হাজার ৯২২ মেট্রিক টনের বেশি উৎপাদিত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৫ জুন ২৭, ২০১৯
জিসিজি/এএটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: কৃষি
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসই মানবাধিকার অর্জনের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা আয়োজন সিএমপির
২ বছরের মধ্যে ডিএনসিসির সব সুবিধা মিলবে অনলাইনে: আতিক
গণপরিবহনে যৌন হয়রানি বন্ধ চান সুজন
১৪২টি পদক নিয়ে ১৩তম আসর শেষ করল বাংলাদেশ


আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে ‘উড়ে যাওয়া পাখির চোখ’
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ নেত্রী নিহত
‘শান্তির দূত’ থেকে যেভাবে গণহত্যার কাঠগড়ায় সু চি 
টিকফা বৈঠক পিছিয়ে মার্চে
ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছেন যারা