পুঁজিবাজারে স্থিতি আনতে বিএবি’র হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: রাকেশ/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ১ হাজার কোটি টাকার ‘স্টক মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ (এসএমএসএফ) গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস` (বিএবি)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এই তহবিল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে।

ঢাকা: পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ১ হাজার কোটি টাকার ‘স্টক মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ (এসএমএসএফ) গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস` (বিএবি)। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এই তহবিল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার রোববার দুপুরে ফান্ড গঠন নিয়ে এক বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন।

এর আগে গত কয়েকদিনে চার দফা বৈঠক করে পুঁজি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে এ বিশেষ তহবিল গঠনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের এই সংগঠন।

রোববার রাজধানীর গুলশানের জব্বার টাওয়ারে বিএবি’র কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ফান্ড গঠন নিয়ে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যানরা বৈঠক করেন। বৈঠকে আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানও  উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক ভাবে  তহবিল গঠনের কথা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক ভাবে ১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে তহবিল গঠন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে প্রতিটি ব্যাংক ২০ কোটি টাকা করে দেবে। আর পুরো অর্থ একটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে পুঁজি বাজারে যাবে। তবে এতে বিএবি’র কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। পুরো তহবিল একবারে বিনিয়োগ করা হবে না।’

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কোন গণমাধ্যমকে এমন কথা বলিনি। এ তহবিলের নির্ধারিত কোন সীমা থাকবে না। তা যেকোনও পরিমাণ হতে পারে। শুরু হবে ১ হাজার কোটি টাকা দিয়ে।  

নজরুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকের সঙ্গে বিভিন্ন বীমা কোম্পানী, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে এতে অন্তর্ভূক্ত হতে বলা হবে। তবে ন্যূনতম ১০ কোটি টাকার যোগান দিতে হবে।

সাংবাদিকদের তিনি জানান, আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা অনুমোদন করে প্রত্যেকটি ব্যাংকে জানাবো। প্রতিটি ব্যাংক বোর্ড সভায় অনুমোদন করলেই তার বিনিয়োগ শুরু হবে। আশা করছি এক সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

বেশির ভাগ ব্যাংকেই তারল্য সংকট রয়েছে। তাই ব্যাংকগুলো এই তহবিলে অর্থের যোগান দিতে সমর্থ হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সাথে তারল্য সংকটের কোন সমস্যা নেই। ব্যাংকগুলো সহজেই এই টাকার ব্যবস্থা করতে পারবে।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের নির্দেশ মতে বিনিয়োগ বাড়ানো শুরু করেছে। ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যেই  যদি তার দায়ের ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে নিয়ে যায় তাহলে আরো ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকা পুঁজি বাজারে যাবে। বাজার স্থিতিশীল করতে এত টাকা লাগবে না। তবে আমরা একবারে যাবো না। ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করা হবে।

অতিরিক্ত এ তহবিল ১০ শতাংশ সীমার মধ্যে কিনা জানতে চাইলে সভাপতি বলেন, সার্বিক ভাবে দায়ের অংশে পরে। তবে আমার চাইবো এর বাইরে রাখতে। প্রয়োজনে দায়ের ১০ শতাংশ পুঁজি বাজারে বিনিয়োগের যে বিধান রয়েছে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার জন্য প্রস্তাব করা হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে।     

নজরুল ইসলাম  জানান, আমরা এর আগে ৪টি সভা করেছি। গত বৃহস্পতিবারও একটি বৈঠক হয়। আজ ৫ম সভায় আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
 
তিনি জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বসে থাকতে পারে না। আমাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের সুযোগ আছে। আমাদের কিছু দায় আছে। হাজার হাজার বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। কান্না-কাটি করছে। আমরা চাই এ অবস্থার উন্নতি হোক।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৩, ২০১১

ফায়ার সার্ভিসের ল্যান্ড ফোন বিকল
মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি ভয়ংকর
ঢাকার বাইরে করোনা রোগী বেড়েছে
এটিএম বুথগুলোর সামনে ‘সামাজিক দূরত্ব’ মানা হচ্ছে না!
ফেনীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু


বগুড়ায় হতদরিদ্রদের ৫০ বস্তা চালসহ কৃষক লীগ নেতা আটক
সাহায্যের জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করবেন না: মুখ্যমন্ত্রী
সিলেটে প্রবাস ফেরত যুবককে কুপিয়ে খুন
নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন বাসার ছাদে সারারাত জামাতে নামাজ আদায়
রাজশাহীতে ৩৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ