অনশন অব্যাহত, সূচকের ওঠানামা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। তবে বর্তমানে তারা জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বর ও এর আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। তবে পুলিশ বিভিন্নভাবে তাদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঢাকা: পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। তবে বর্তমানে তারা জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বর ও এর আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। তবে পুলিশ বিভিন্নভাবে তাদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ডিএসইর সামনে পুলিশ ও র‌্যাবও অবস্থান করছে। বাজার চলছে সূচকের ওঠানামায়।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ বাংলানিউজকে জানান, আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি আজকের বাজারটাও আমরা পর্যবেক্ষণ করব। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো নির্দেশ বা সার্কুলার জারি করা হয় কিনা তাও দেখব।

ডিএসসি চত্বরে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া যায় কিনা তা নিয়েও বিনিয়োগকারীরা ভাবছেন বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে রোববার অনশন শুরু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সোমবার সকালে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশিদ চৌধুরীকে আটক করা হয়। পরে অবশ্য তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে চলমান মন্দাবস্থার প্রেক্ষিতে প্রতিবাদকারী বিনিয়োগকারীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছেন।’

তিনি বলেন, ‘সাদা পোশাকধারী পুলিশ সব সময় আমাদের অনুসরণ করছে। বাসা বাড়িতেও আমরা নিরাপত্তহীনতায় আছি।’
 
মঙ্গলবার দুপুর পৌনে বারোটার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে তিনি বাংলানিউজকে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে আন্দোলন না করে চলে যাওয়ার কথা বলে গ্রেপ্তারের। পরে সাংবাদিকরা এলে পুলিশ তার কাছ থেকে চলে যায়।

তিনি বলেন, ‘কোনোখানে দাঁড়াতে না পারলে আমরা শহীদ মিনারে যাব, না হলে অধিকার আদায়ে হাইকোর্টে রিট করব।’

এদিকে দুপুর ১২টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সেঞ্জের সাধারণ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪৩৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।  
এছাড়া দিনের শুরুর এক ঘণ্টা সূচকের ওঠানামায় লেনদেন চলে।

এ সময় লেনদেনকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০৮টির দাম বাড়ে। কমে ৯১টির। অপরিবর্তিত থাকে ২০টি কোম্পানির দাম। লেনদেন হয় মোট ৫৬ কোটি টাকা।

এরপর বেলা ১টা ১৬ মনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৬ পয়ন্টে কমে ৫৩৬৫ পয়ন্টে নেমে যায়। আর লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০০টির দাম কমে, বাড়ে ৩১টির। অপরর্বততি থাকে ৬টির। মোট লনেদনে হয় ৯১ কোটি টাকা। ১টা ২৮ মনিটি র্পযন্ত একই অবস্থা চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১৩০ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৮, ২০১১

ময়মনসিংহে কর্মহীনদের পাশে মহানগর যুবলীগ
করোনো: সাতক্ষীরায় মানুষকে ঘরে ফেরাতে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
কোয়ারেন্টিন না মানায় সিলেটে প্রবাসীকে জরিমানা
শিগগিরই প্রস্তুত হচ্ছে বসুন্ধরার হাসপাতাল 
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন


করপোরেট কর হার ১০ শতাংশ চায় বিসিআই 
গজারিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে করোনা আতঙ্ক
অজ্ঞাত রোগে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আরো ৮ শিশু
করোনা: টোকিও অলিম্পিকের নতুন সূচি ঘোষণা
অসহায়-দিনমজুর ২০০ পরিবারে ডবলমুরিং থানার সহায়তা