ভারতীয় পোশাক বাংলাদেশ থেকে যাবে ইউরোপ-আমেরিকায়

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

তৈরি পোশাক শিল্পের ভারতীয় ব্যবসায়ীরা স্বস্তা শ্রম ও শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। এরই মধ্যে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বেশ কয়েকটি নতুন কারখানা খোলা হয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশে উৎপাদিত পোশাক ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি করবে।

ঢাকা: তৈরি পোশাক শিল্পের ভারতীয় ব্যবসায়ীরা স্বস্তা শ্রম ও শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। এরই মধ্যে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বেশ কয়েকটি নতুন কারখানা খোলা হয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশে উৎপাদিত পোশাক ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি করবে।

ভারতীয় পোশাক শিল্প সমিতির মহাসচিব ডিকে নায়ের বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমমূল্য ভারতের চেয়ে তিনগুণ কম। ভারতে মাসিক শ্রম খরচ গড়ে সাত হাজার রুপির বেশি, আর বাংলাদেশের আড়াই হাজার রুপির মতো।’ পাঁচ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক ডিকে নায়ের।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ৩৫টি ভারতীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের কারখানা চালু করেছে। গত কয়েক মাসেই এগুলো হয়েছে।

বাংলাদেশে কারখানা খুলে বসা ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে শাহী এক্সপোর্টস, হাউস অব পার্ল ফ্যাশনস, জে জে মিলস, আমবাত্তুর ক্লথিং ইত্যাদি। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান পশ্চিমা দেশগুলোয় কাপড় রপ্তানিতে করতে বাংলাদেশকে তাদের গন্তব্যস্থল হিসেবে ব্যবহার করছে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্য মতে, ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ৩৫টি কারখানায় আট কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পশ্চিমা দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে থাকে। আর ভারতীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিতে হয় ৯ দশমিক ৬ শতাংশ শুল্ক।

বৈশ্বিক পর্যায়ে ভারতকে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয় উল্লেখ করে শিল্পপতি নায়ের বলেন, ‘শুল্কমুক্ত সুবিধা, খরচ ইত্যাদি বিবেচনায় রাখলে বাংলাদেশে তুলনামূলক ২০ শতাংশ সস্তায় পোশাক উৎপাদন সম্ভব হয়।’

এছাড়া রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) কড়াকড়ি আরোপ করায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ খরচ আরও বেড়ে গেছে।

ইন্দো-রাম সিনথেটিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওপি লোহিয়া বলেন, খারাপ অবকাঠামো ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ভারতীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

ও পি লোহিয়া বলেন, ‘ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে গলা-কাটা প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। মুনাফা অত্যন্ত কম আসছে। আর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ খরচের পার্থক্য অনেক বড় ব্যাপার। এ কারণে ব্যবসায়ীরা (ভারতীয়) বাংলাদেশে আকৃষ্ট হচ্ছে।’

বাংলাদেশ সময়: ১২৪৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৭, ২০১১

ফায়ার সার্ভিসের ল্যান্ড ফোন বিকল
মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি ভয়ংকর
ঢাকার বাইরে করোনা রোগী বেড়েছে
এটিএম বুথগুলোর সামনে ‘সামাজিক দূরত্ব’ মানা হচ্ছে না!
ফেনীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু


বগুড়ায় হতদরিদ্রদের ৫০ বস্তা চালসহ কৃষক লীগ নেতা আটক
সাহায্যের জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করবেন না: মুখ্যমন্ত্রী
সিলেটে প্রবাস ফেরত যুবককে কুপিয়ে খুন
নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন বাসার ছাদে সারারাত জামাতে নামাজ আদায়
রাজশাহীতে ৩৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ