বুক বিল্ডিং আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে এসইসি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন ঠেকাতে নির্দেশক মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা রেখেই খসড়া আইন সংশোধনে নীতিগত অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে বিভিন্ন স্টক হোল্ডাদের মতামতকে উপেক্ষিত করে বেশ কিছু সংশোধনী নিয়ে আসা হয়েছে এ আইনে।

ঢাকা: বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন ঠেকাতে নির্দেশক মূল্যের সর্বোচ্চ সীমা রেখেই খসড়া আইন সংশোধনে নীতিগত অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে বিভিন্ন স্টক হোল্ডাদের মতামতকে উপেক্ষিত করে বেশ কিছু সংশোধনী নিয়ে আসা হয়েছে এ আইনে।

এতে বলা হয়েছে, কোম্পানির নির্দেশক মূল্য ইপিএসের ১৫ গুণ এবং এনএভির ৩ গুণের বেশি হলে আইপিওতে আসতে পারবে না কোনো কোম্পানি।

বুধবার বিকেলে এসইসির সভা কক্ষে কমিশনের ৩৯৫তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিশন সভা শেষে এসইসির মুখপত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, কমিশন সভায় বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণ জনগণের মতামতের পরই এটি চুড়ান্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ‘বুকবিল্ডিং পদ্ধিতিতে  কিছু কিছু বিষয়ে পরির্বতন করা হয়েছে। নির্দেশক মূল্য ইপিএসের ১৫ গুণ এবং এনএভির ৩ গুণের বেশি না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিডারদের প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন করা হয়েছে ৪ মাস। যা স্টক হোল্ডাররা ৬ মাসের জন্য সুপারিশ করেছিলো। আর আগে ছিলো ১৫ দিন।’

তিনি জানান, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাইস নির্ধারেণের ক্ষেত্রেও কিছুটা সংশোধন হয়েছে। আগে ৩ প্রতিষ্ঠান বিডারে অংশ গ্রহণ করতেন। এখন ৬টি প্রতিষ্ঠান ইনডিকেটিভ প্রাইস নির্ধারণে অংশগ্রহণ করবেন।

ইনডেকেটিভ প্রাইস নির্ধারণে নন ব্যাকিং, আন্সুরেন্স , স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজার এবং কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলো বিডার হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এছাড়া কমিশন আর্থিক প্রতিবেদনে সুনিদিষ্ট অভিযোগ পেলে রি অডিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি জানান।

আর প্রত্যেক ক্যাটাগরির তিনটি করে প্রতিষ্ঠানের ২০ টি ইলজিবল প্রতিষ্ঠানের ইনডেকেটিভ প্রাইস এসইসিতে দাখিল করতে হবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

এসইসি আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই করতে নিজেই ফের নিরীক্ষা করবে ।

এর মধ্যে আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও অ্যাকাউন্টস বিভাগের চেয়ারম্যান নিয়ে পৃথক কমিটি পুনরায় নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা বাতিল করা হয়েছে বলে সাইফুর রহমান জানান।

এর আগে গত ১১ আগষ্ট মূল্যসীমা বেধে দেওয়াতে আপত্তি জানায় স্টেকহোল্ডাররা।

বিডিং প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ায় ইনস্টিটিউট ইনভেস্টরদের প্রাপ্য (ইলজিবল) শেয়ারে লকইন ১৫ দিন বহাল রাখার পক্ষে মতামত দেয়। তবে রোড শোতে দুই স্টকএক্সচেঞ্জের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণ, ইস্যু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিডিংয়ে অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ, বিডিং প্রসেস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার ব্যাপারে এসইসি কোনো দ্বিমত পোষণ করেনি।

পাশাপাশি ইস্যুয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর আইপিও কোটা হলো- ৩০ থেকে ৫০ কোটি মূলধন হলে ৪০শতাংশ, ৫০ থেকে ১০০ কোটি হলে ৫০ শতাংশ আর ১০০ এর বেশি হলে ৬০ শতাংশ রাখার ব্যাপারে কোনো পরিবর্তন আনেনি এসইসি।

আগের সিদ্ধান্ত অনুসারে ফুল ডেলুটেড ইপিএস দেখাতে হবে। কোনো মতেই ভবিষ্যত আয় দেখানো যাবে না। আর কোয়ারটারলি বা হাফ ইয়ারলি প্রতিবেদন কখনও অ্যানুয়ালাইজড করা যবে না।  

শেষ দুই বছরে ইসুয়ার প্রতিষ্ঠানের অ্যাসেট রিভ্যালুয়েশন করা হলে সম্পদ পুনরায় মূলমূল্যায়নের আগের ও পরের দুই ধরণের আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫২৬ ঘণ্টা, আগস্ট ১৭, ২০১১

রামগতিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক নিহত
করোনায় সিরিয়ায় প্রথম মৃত্যু
স্বল্প পরিসরে চেক ক্লিয়ারিং করার নির্দেশ
করোনায় ইতালিতে আরও ৭৫৬ জনের মৃত্যু
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা


প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১ দিনের বেতন দিলেন সেনা সদস্যরা
মাঠে নেমে সহায়তা করছেন বলিউড তারকারা
ল্যাব না থাকলেও সিংড়ায় গেল দুই'শ করোনা টেস্টিং কিট
মানুষকে টেলিফোনে চিকিৎসাসেবা দিতে ফারাজের উদ্যোগ
রাজশাহীতে এলো আরও ১ হাজার পিস পিপিই