পুঁজিবাজারে ছন্দপতনের খেলা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দেশের দুই পুঁজিবাজারে ছন্দপতনের খেলা চলছে। মঙ্গলবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দরপতন হয়েছে।

ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে ছন্দপতনের খেলা চলছে। মঙ্গলবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দরপতন হয়েছে।

এদিন ডিএসই গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছে ৩৫৪ কোটি ২৯ লাখ ২ হাজার টাকা। এর আগে গত ২৯ মে ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছিল  ৩৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দরপতনের পর সোমবার সরকারি ছুটি থাকায় পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়নি।

গত কয়েক কার্যদিবস ধরে পুঁজিবাজারে একদিন দাম বাড়লে পরের দিনই দরপতন হচ্ছে। একইরকমভাবে দু‘দিন একটানা দাম বাড়লে পরের দুইদিন আবার কমছে। এ যেন দাম বাড়া কমার খেলায় মেতে উঠেছে পুঁজিবাজার। তবে যতদিন না বাজারে দাম বাড়ছে তার চেয়ে বরং বেশিদিন দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকছে।  

মঙ্গলবার লেনদেনের প্রথম আধঘণ্টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক কমে ২৫ ও সিএসইর ৪৭ পয়েন্ট। একই সঙ্গে ডিএসইতে ১৪৪টি ও সিএসইতে ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমে। দ্বিতীয় ঘণ্টা শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমে ৫০ ও সিএসইর ৭২ পয়েন্ট। এ সময়ে ডিএসইতে ২২১টি ও সিএসইতে ১৪৬টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমে। সরাদিনই এরকমভাবে পুঁজিবাজারে দরপতন হয়।

আগের কার্যদিবস রোববার লেনদেনের শুরুতে উভয় বাজারের সূচক ও  বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও মঙ্গলবার হয়েছে তার বিপরীত। এদিন শুরুতেই উভয় বাজারের সূচক কমে যায়।

দরপতনের ব্যাপারে ডিএসইর পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী বাংলানিউজে বলেন, ‘বাজারকে স্বাভাবিক করার জন্য সরকার, এসইসি ও ডিএসই পূর্ণাঙ্গ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তবে বাজার পতনের জন্য বিনিয়োগকারীদেরও কিছুটা দায় রয়েছে বলে তিন মনে করেন।

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ধর্য্য খুবই কম । পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে ধর্য্য ধরতে হবে। এটা ধর্য্যের ব্যবসা। বিনিয়োগকারীদের অস্থির ও গুজবে কান না দিয়ে ফান্ডামেন্টাল শেয়ার কিনতে বলেন।

আহমেদ রশীদ লালী বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বর্তমানে অনেক বিনিয়োগকারী কম দামে শেয়ার ছেড়ে নগদ টাকা তুলে নিচ্ছেন। এর প্রভাবও বাজারে পড়েছে।

ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে ২২৪টির দাম কমেছে, ২২টির বেড়েছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি প্রতিষ্ঠানের দাম। একই সঙ্গে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৬০ পয়েন্ট কমে নেমে আসে ৬ হাজার ১১২ পয়েন্টে।

এ সময়ে মোট ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৫ হাজার ৮৪টি শেয়ার ৮৩ হাজার ৯১ সংখ্যকবার লেনদেন হয়।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বেক্সিমকো, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, মবিল যমুনা, গ্রামীণফোন, সিটি ব্যাংক, এমআই সিমেন্ট, ওয়ান ব্যাংক, মালেক স্পিংি, লাফার্জ সুরমা ও কেয়া কসমেটিকস।

অপরদিকে সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১টির দাম বেড়েছে, ১৫৭টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১১৮ পয়েন্ট কমে স্থির হয়  ১১ হাজার ১৯৬ পয়েন্টে।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৪৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

উল্লেখ্য, রমজান মাসে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে পুনঃনির্ধারিত সকাল সাড়ে ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হয় যা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত লেনদেন চলে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৬, ২০১১

করোনা: সৈয়দপুরে মানবেতর অবস্থায় ঢুলিপাড়ার ৩০ পরিবার
করোনা প্রতিরোধ: স্বস্তির নিশ্বাস রাতের নগরে
ময়মনসিংহে কর্মহীনদের পাশে মহানগর যুবলীগ
করোনো: সাতক্ষীরায় মানুষকে ঘরে ফেরাতে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
কোয়ারেন্টিন না মানায় সিলেটে প্রবাসীকে জরিমানা


শিগগিরই প্রস্তুত হচ্ছে বসুন্ধরার হাসপাতাল 
করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন
করপোরেট কর হার ১০ শতাংশ চায় বিসিআই 
গজারিয়ায় শিশুর মৃত্যুতে করোনা আতঙ্ক
অজ্ঞাত রোগে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আরো ৮ শিশু