দিনভর ওঠানামা করে পুঁজিবাজারে দরপতন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতনের দিনে দেশের পুঁজিবাজারেও দরপতন হয়েছে। আগের কার্যদিবস সোমবার চাঙা থাকার পর মঙ্গলবার সারাদিন সূচক ওঠানামা করে দেশের দুই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়।

ঢাকা: এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতনের দিনে দেশের পুঁজিবাজারেও দরপতন হয়েছে। আগের কার্যদিবস সোমবার চাঙা থাকার পর মঙ্গলবার সারাদিন সূচক ওঠানামা করে দেশের দুই পুঁজিবাজারে দরপতন হয়। এদিন লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ৪৬ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৬ পয়েন্ট। একই সঙ্গে ডিএসইতে ২০৫টি প্রতিষ্ঠানের ও সিএসইতে ১৪৬টির দাম কমেছে।

মঙ্গলবার লেনদেনের প্রথম দেড় ঘণ্টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক বাড়ে ১১ ও সিএসইর ২৭ পয়েন্ট। তবে এ সময়ে ডিএসইতে ১৩৫টি প্রতিষ্ঠানের ও সিএসইতে ৮৮টির দাম কমে যায়। তবে প্রথম আধঘণ্টায় ডিএসইতে ১১৪টি ও সিএসইতে ৫৯টির দাম বেড়েছিল।

এদিন লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে অর্থাৎ ১০টা ৪০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৩ পয়েন্টের মতো বাড়ে। এরপর ১০টা ৪৭ মিনিটে ১৮ পয়েন্ট কমে যায়। ১০টা ৫৩ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট কমে। ১০টা ৫৬ মিনিটে আবার আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট সূচক বাড়ে। পরবর্তীতে সোয়া ১১টা থেকে ১১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত সূচক বাড়ার পর ১১টা ৩৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কমে যায়। অপরদিকে সিএসইতে প্রথম ১০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৫২ পয়েন্ট। ১০টা ৫২ মিনিটে সিএসইর সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে যায়। পরবর্তীতেও এ ধারা বজায় ছিল। এভাবে সারাদিনই উভয় বাজারের সূচক ও শেয়ারের দাম ওঠানামা করে।  
 
উল্লেখ্য, রমজান উপলক্ষে পুনঃনির্ধারিত সাড়ে ১০টায় পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়।

গত মঙ্গলবার অস্বাভাবিক দরপতনের পর বুধবার পুঁজিবাজর আবার চাঙা হয়। কিন্তু গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ও চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার আবার অস্বাভাবিক দরপতন হয়।

দরপতনের দিনগুলোতে বিক্ষোভ করে এর প্রতিবাদ জানায় বিনিয়োগকারীরা। এরপর সোমবার চাঙাভাবে ফেরে বাজার। এদিন ডিএসইতে সাধারণ সূচক ১০৩ পয়েন্ট বেড়ে উঠে আসে ৬ হাজার ২২৩ পয়েন্টে ও সিএসইতে ২০০ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৩৭৩ পয়েন্টে।

ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে ২০৫টির দাম কমেছে বেড়েছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১০টি প্রতিষ্ঠানের দাম। একই সঙ্গে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমে নেমে যায় ৬ হাজার ১৭৭ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক ৪২ পয়েন্ট কমে অবনমিত হয় ৫ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে।

এদিন মোট ৬ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার ৭৮টি শেয়ার ১ লাখ ১১ হাজার ১০৬ সংখ্যকবার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ৫০১ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবস সোমবার লেনদেন হয়েছে ৪৯৫ কোটি ২৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল- বেক্সিমকো, কেয়া কসমেটিকস, সিটি ব্যাংক,  লাফার্জ সুরমা, গ্রামীণফোন, মালেক স্পিনিং, আরএন স্পিনিং, ওয়ান ব্যাংক, এমআই সিমেন্ট ও এসআইবিএল।

অপরদিকে সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৭৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭টির দাম বেড়েছে, ১৪৬টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের দাম। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায়  ১১ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।মঙ্গলবার এশিয়ার দেশ জাপান, হংকং অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৬ ঘণ্টা, আগস্ট ০৯, ২০১১

কোয়ারেন্টিন শেষে বরিশালে ১২০৪ জনকে ছাড়পত্র
জেলা প্রশাসনের খাবার গেল দিনমজুরদের বাড়ি
চলে গেলেন ফ্রান্সের ৮৪’র ইউরো জেতানো কোচ হিদালগো
ফেনীতে ৯৬১ বিদেশফেরত হোম কোয়ারেন্টিনে
১০ কেজি করে চাল-নগদ টাকা পাবে নিম্ন আয়ের মানুষ


বিনামূল্যে পিপিই সরবরাহ করার ঘোষণা ফর্টিস গ্রুপের
কোভিড-১৯ ঠেকাতে কমলনগরের হাট-বাজারে ‘সামাজিক দূরত্ব চিহ্ন’
বই-টেলিভিশন আর পরিবার নিয়ে কাটছে সময়
বন্ধ কারখানা শ্রমিকদের বাসায় থাকতে হবে, পাবেন বেতন
করোনা: বরিশালের সব চায়ের দোকান বন্ধ