ঈদ: নতুন পোশাকের খোঁজে ক্রেতারা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি। কিন্তু পান্থপথ সিগন্যাল থেকে কারওয়ান বাজারের দিকে রাস্তায় গাড়ির লম্বা লাইন। সামনে নির্দেশক চিহৃ-বসুন্ধরা সিটিতে প্রবেশের রাস্তা। রমজানের প্রথম শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটি। ঈদ আসছে। তাই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই বেড়িয়েছেন কেনাকাটা করতে।

ঢাকা: দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি। কিন্তু পান্থপথ সিগন্যাল থেকে কারওয়ান বাজারের দিকে রাস্তায় গাড়ির লম্বা লাইন। সামনে নির্দেশক চিহৃ-বসুন্ধরা সিটিতে প্রবেশের রাস্তা। রমজানের প্রথম শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটি। ঈদ আসছে। তাই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই বেড়িয়েছেন কেনাকাটা করতে।

কেনাকাটার আমেজ ততটা না পরলেও রাজধানীর বিপনি বিতানগুলোতে ভিড় নেহায়েত কম ছিলো না। গত কয়েকদিন ঈদের কেনাকাটায় ঢিলেঢালা ভাব থাকলেও শুক্রবার সকাল থেকে ফ্যাশন সচেতন মানুষের ভিড় ছিলো এসব বিপনি বিতানগুলোতে। তবে এদের অনেকেই হাল সময়ের নতুন পোশাক আর দরদামের খোঁজ করতে এসেছিলেন।

বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে কথা হয়, উত্তরা ব্যাংকে কর্মরত সাথী রহমানের সঙ্গে। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন স্বামীকে।
তিনি জানান, ঈদ মানে একটি নতুন শাড়ি চাই। তবে সেটি হতে হবে পছন্দের। তাই আগেই চলে আসা। ঘুরে না কিনলে তৃপ্তি আসবে না। তবে আজকেই কেনার ইচ্ছে নাই। দু এক দিন ঘুরে দেখবেন। তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন। তবে তার স্বামীর জন্য রেমন্ডে শার্ট ও প্যান্ট তৈরি করতে দিয়েছেন।

একই কথা বলেছেন অনেক বিক্রেতাও। বসুন্ধরার মার্কেটের দুলহান শাড়ির বিক্রয়কর্মী মো. আমজাদ বললেন, অন্যদিনগুলোর চেয়ে আজ ভিড় বেড়েছে। তবে বিক্রি বাড়েনি সেভাবে। যারাই এসেছেন, তারা নতুন কি এসেছে ও দাম কেমন জানতে আসছে। বিক্রি বাড়বে ১০ রোজার পর থেকে।

বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাদনি চক, ধানমন্ডির বিভিন্ন বিপনি বিতান ঘুরে বিক্রেতা ও দোকানিদের কাছ থেকে একই রকম তথ্য পাওয়া গেছে। অনেকেই তাদের কাছে জানতে চেয়েছেন, এবারের ঈদে নতুন কি পোশাক এসেছে, দাম কেমন বা আসবেই কবে।

তবে যারাই পরে ভিড় ও ঝামেলা এড়াতে আগেই কেনাকাটা করতে এসছেন তাদের অনেকের অভিযোগ প্রতিটি পোশাকের দাম বাড়তি। গত বারের চেয়ে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত।

তবে একই রকম বক্তব্য বিক্রেতাদেরও। দাম আগের বছরের চেয়ে অনেক বেশি। তবে তাদের বক্তব্য, পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। তাই তাদের দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই।

গাউসিয়ার মাকের্টে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লায়লার সঙ্গে। তিনি এসেছেন থান কাপড় কিনতে। লায়লা বলছিলেন, ঈদে নতুন পোশাক চাই। তবে সেটি হতে হবে ফ্যাশনবল ও মাননসই। তাই আমার সব সময় পছন্দ নিজে বানিয়ে নেওয়া পোশাক। তাই আগেই এসেছি। আজ কাপড় কিনে সেলাই করতে দিয়ে যাবো। তারপর সেটির ওপরে কাজ করব। তবে এবার দাম আগের চেয়ে বেশি।

মনমতো নিজের মাননসই কাপড় কিনে যারাই ঈদের পোশাকটি নিবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের অনেকেই গাউছিয়া ও চাদনি চকে ভিড় করেছেন। সেখাই থেকেই চলে যাচ্ছেন দর্জি বাড়ি। ফলে রমজান মাত্র শুরু হলেও দর্জির বাড়ির ব্যস্ততা বেড়ে গেছে।

এম খান লেডিস ফ্যাশনের কর্ণধার মানিক খান বলেন, আমাদের ব্যস্থতা শুরু হয়ে গেছে। চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। দম ফেরার ফুসরত থাকবে না।

রিচম্যানের বিক্রিয় কর্মী জিয়াউর রহমান জানান, রোজা মাত্র শুরু। আর কয়েকটি দিন গেলেই জমবে বেচা বিক্রি। তবে আজও ভিড় বেশি। যদিও বিক্রি তেমনটি বাড়েনি।

ফ্যাশন প্যালেসের বিক্রয় কর্মী জানান, এবারও ঈদে তরুণীদের চোখ লম্বা মাসাকালির দিকেই। আর শাড়ি হিসেবে চলবে জারকান স্টোনের শাড়ি।

বিক্রি বাড়েনি। মাত্র তো রোজা শুরু। বিক্রি হবেই। দাম বেশি হলেও হবে। ক্রেতা আসবেই।  নামবে ক্রেতাদের ঢল। এমনটাই আশা পোশাক ব্যবসায়ীদের।
 

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৭ ঘণ্টা, ৫ আগস্ট, ২০১১

যাত্রাবাড়ীতে কর্মহীন মানুষের মধ্যে যুবলীগের ত্রাণ বিতরণ
করোনা মোকাবিলায় অর্থনৈতিক গতিশীলতা ধরে রাখতে হবে
চলে গেলেন রিয়াল, বার্সা, অ্যাতলেটিকোর সাবেক কোচ অ্যান্টিচ
করোনা: বরিশাল জেলায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
সাজেকে ‘হাম-রবেলা’ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু


ত্রিপুরায় করোনায় আক্রান্ত একজন শনাক্ত
বিনিয়োগ বাড়লেও ইপিজেডে কমেছে জনবল
করোনা: লালমনিরহাটে বেগুনের কেজি ২ টাকা!
হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ায় রাস্তায় ইজিবাইকে জন্ম নিলো শিশু
‘করোনা’ গুজব ঠেকাতে ফেসবুকের সমন্বিত উদ্যোগ