নিয়ন্ত্রণহীন সবজি বাজার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রোজায় দাম বাড়ছে প্রায় সব দ্রব্যের। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে সবজির বাজার পর্যন্ত সব বাজারেই যেন অস্থিরতা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কাঁঠালবাগান বাজার, মোহাম্মদপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে-

ঢাকা: রোজায় দাম বাড়ছে প্রায় সব দ্রব্যের। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে সবজির বাজার পর্যন্ত সব বাজারেই যেন অস্থিরতা বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কাঁঠালবাগান বাজার, মোহাম্মদপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে-  নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে চাল ও ডালের দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আবার অস্থিরতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে চিনি ও তেলের বাজারে। আর কিছুতেই যেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না সবজির বাজার।

নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে- খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট (রশিদ) চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়, মিনিকেট (কুষ্টিয়ার বিশ্বাস) চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকায় ও শাহসুপার চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকায়। এসব চালের দাম গত সপ্তাহে প্রায় একই দর ছিল। তবে লক্ষ্য করা গেছে রোজায় সুযোগ নিয়ে কোনো কোনো দোকানে দুই-এক টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে।

বাজারে কয়েকদিন চিনি সরকার নির্ধারিত দামে এবং কোথাও কোথাও তারও কমে বিক্রি হলেও চিনির দামে আবার অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। নগরীর কেন্দ্রীয় বাজারগুলোতে ৬৫ টাকা দরে চিনি বিক্রি হলেও মহল্লার দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, চিনির যোগান আছে, তবে যেখানে ১০ ট্রাক দরকার, সেখানে দুই ট্রাক পাওয়া যায়।

বাজারে খোলা তেলের যোগান থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে খোলা সয়াবিনের যোগান নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পাম তেল, সুপার পাম তেল সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি মসুর ডাল (দেশি) বিক্রি হচ্ছে  ৮০-৮৫ টাকা, মসুর ডাল (ক্যাঙ্গারু) বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়, পেঁয়াজ ৪০-৪২ টাকায় ও রসূন বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়। এসব দ্রব্যের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ৪-৬ টাকা বেড়েছে।

তবে লাগামহীন অবস্থান সবজির বাজারের। প্রতি ঘণ্টায় পরিবর্তন হচ্ছে সবজির বাজারের দাম। গত সপ্তাহের সাথে তুলনা করলে প্রতি কেজিতে দাম দ্বিগুণও বেড়েছে সবজিতে।

বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকায়, পটল ৩৪-৩৬ টাকায়, ঢেঁড়শ ৩৫-৪০ টাকায়, বেগুন ৪০-৫০ টাকায়, করলা ৪০-৫০ টাকায়, বরবটি ৩৫-৪০ টাকায় ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া কাঁচামরিচের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারের এ অস্থিরতার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা রতন (২৩) বলেন, ‘যেদিন যোগান ভালো থাকে সেদিন সবজির দাম কম থাকে। আর যেদিন যোগান কম থাকে সেদিন দাম বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক।’

এতে ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই বলে মন্তব্য করলেন তিনি। তবে বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ বুঝে বেশি দামে বিক্রি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চিনির বাজারের অস্থিরতা সম্পর্কে কারওয়ান বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ইদ্রিস (৫৮) বলেন, ‘বাজারে চিনির যোগান আছে। তবে চাহিদার তুলনায় কম। যেখানে ১০ গাড়ি মাল দরকার, সেখানে হয়তো ২-৪ ট্রাক মাল পাওয়া যাচ্ছে।’

বিক্রির জন্য গতকাল ৬৬ টাকা দরে তিনি চিনি কিনেছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, মোবাইল কোর্ট এসে জরিমানা করলেও কিছু করার থাকবে না। কারণ পাইকারী ব্যবসায়ীরা রশিদ ছাড়াই মাল দিচ্ছে, রশিদ চাইলে মালই দিচ্ছে না বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৪, ২০১১

চিকিৎসাধীন চট্টগ্রামের শীর্ষ তিন করোনাযোদ্ধা
শনির দশা কাটছে না রাজশাহীর আমের
লিবিয়ায় বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি যে লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন
স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা
পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ ভাইয়ের মৃত্যু


দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে যাত্রীদের চাপ
ফতুল্লায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আ’লীগ নেতার মৃত্যু
ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম করোনার উপসর্গ নিয়ে এক যুবকের মৃত্যু
চাষিদের স্বপ্ন হাঁড়িভাঙা আমে
নীলফামারীতে অতিবৃষ্টির কারণে ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক