সাত মাস ধরে খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতি ডাবল ডিজিটে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে চার মাস (মার্চ-জুন ’১১) ধরে দেশের মুদ্রাস্ফীতি ডাবল ডিজিটে রয়েছে। তবে দুই হিসাবেই (গড় ও পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে) খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতি ডাবল ডিজিট অতিক্রম করেছে গত ডিসেম্বরেই। অর্থাৎ সময়ের হিসাবে সাত মাস।

ঢাকা: পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে চার মাস (মার্চ-জুন ’১১) ধরে দেশের মুদ্রাস্ফীতি ডাবল ডিজিটে রয়েছে। তবে দুই হিসাবেই (গড় ও পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে) খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতি ডাবল ডিজিট অতিক্রম করেছে গত ডিসেম্বরেই। অর্থাৎ সময়ের হিসাবে সাত মাস।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। সারাদেশে যেখানে ডিসেম্বরে খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ডাবল ডিজিট, সেখানে গ্রামাঞ্চলে নভেম্বরেই খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতির হার ডাবল ডিজিট অতিক্রম করেছে। বর্তমানে শহর ও গ্রামাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতির ব্যবধান ৩ শতাংশেরও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে গড় মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এরপর থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার ক্রমশঃ বাড়তেই থাকে।
 
মার্চে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার বেড়ে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এ হার দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত জুনে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার ছিল ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এটা ছিল ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ।
 
এদিকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মার্চে মুদ্রাস্ফীতির হার ডাবল ডিজিট অতিক্রম করলেও দুই হিসাবেই (গড় ও পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে) খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতির হার ডাবল ডিজিট অতিক্রম করেছে গত ডিসেম্বরেই। ডিসেম্বরে খাদ্য সূচকে গড় মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে ছিল ১১ দশমিক ০১ শতাংশ। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত জুনে খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এটা দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫১ শতাংশে।

আলোচ্য সময়ে (ডিসেম্বর-জুন) পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতির হার সবচেয়ে বেশি ছিল গত এপ্রিলে। এপ্রিলে এটা ছিল ১৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
 
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। গত নভেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে শহরাঞ্চলে ও গ্রামাঞ্চলে খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ও ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। অর্থাৎ শহরাঞ্চলে সিঙ্গেল ডিজিট হলেও গ্রামাঞ্চলে এটা ছিল ডাবল ডিজিটে।

সর্বশেষ গত জুনের হিসাবে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে শহরাঞ্চলে ও গ্রামাঞ্চলে খাদ্য সূচকে মুদ্রাস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০ দশমিক ২০ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে (নভেম্বর-জুন) গ্রামাঞ্চলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল এপ্রিলে। তখন এটা ছিল ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। একই সময়ে শহরাঞ্চলে এ হার ছিল ১২ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ সময় : ১৫৫২ ঘণ্টা, জুলাই ৩১, ২০১১

বগুড়ায় হতদরিদ্রদের ৫০ বস্তা চালসহ কৃষক লীগ নেতা আটক
সাহায্যের জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করবেন না: মুখ্যমন্ত্রী
সিলেটে প্রবাস ফেরত যুবককে কুপিয়ে খুন
নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন বাসার ছাদে সারারাত জামাতে নামাজ আদায়
রাজশাহীতে ৩৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ


করোনা মোকাবিলায় ফেনীর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সহায়তা
আশুলিয়ায় কলোনিতে আগুন, ৮ কক্ষ পুড়ে ছাই
বরিশালে চার বাড়ির লকডাউন প্রত্যাহার
শিল্পকলার তথ্যচিত্রে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ বার্তা
শেরপুরে শিশুসহ আরো দুজন করোনায় আক্রান্ত