php glass

সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচা হবে কম্পিউটারে

অনলাইনে পাওয়া যাবে ফরম

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

এখন থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচা হবে কম্পিউটারের মাধ্যমে। সব ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচার তথ্য কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হবে।

ঢাকা : এখন থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচা হবে কম্পিউটারের মাধ্যমে। সব ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচার তথ্য কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হবে।

এছাড়াও অনলাইনে পাওয়া যাবে সঞ্চয়পত্রের ফরম। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড: আতিউর রহমান এর একটি সফটওয়্যার উদ্বোধন করেছেন।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক (আইটি) নাজনীন সুলতানা, দাশগুপ্ত অসীম কুমার, হারুনুর রশিদ চৌধুরী ও এবতাদুল ইসলাম। গভর্নর বলেন, সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও ভাঙ্গানো নিয়ে গ্রাহকের হয়রানি বন্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

সব ব্যাংককেই কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র কেনা-বেচা করতে হবে। যাতে দ্রুত অনলাইনে সঞ্চয়পত্র কেনাবেচা করা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে।

গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আনতে তথ্য-প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক অটোমেশনের যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে এটা তারই ধারাবাহিকতা।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ক্লিয়ারিং হাউজসহ ৮০টি সফটওয়্যার চালু করেছে। মানুষের কষ্ট লাঘবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গভর্নর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেবা মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে প্রতি বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের লোকবল বাড়ানো হবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই মহিলাদের জন্য একটি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে গভর্নর আকস্মিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র শাখাসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।

তিনি সঞ্চয়পত্র বিক্রির কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৪০২ ঘন্টা, ২৯, ২০১১

হবিগঞ্জ আ’লীগের সম্মেলনে ৭০০০ কর্মীর জন্য বিরিয়ানি
ক্রেতাদের বাজেট অনুযায়ী পোশাক তৈরি করছে ‘সারা’
মায়ের ওপর অভিমান, রাজধানীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
নোয়াখালীতে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে প্রাণ গেলো দু’জনের
প্রণব মুখার্জি-খান আতার জন্ম


খালেদার মুক্তির জন্য স্বেচ্ছায় কারাভোগে রাজি ফেনী বিএনপি
‘মাথাপিছু আয় ৬০০০ ডলারের আগেই সবার কাছে গাড়ি থাকবে’
দলের জন্য সবটুকু অভিজ্ঞতা ঢেলে দেবেন গিবস
কর দিতে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী
মিয়ানমারে গণহত্যার বিচার শুরু, সন্তুষ্ট রোহিঙ্গারা