php glass

ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনার কারণ নেই: বিবি গভর্নর

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনা বা দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এই খাতকে আরও স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। 

ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনা বা দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এই খাতকে আরও স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।  

রোববার সকালে রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসনে আমানত বীমা বিষয়ে এক কর্মশালার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন।  

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিপোজিট ইন্সুরেন্সের (আইএডিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘ডিপোজিট ইন্সুরেন্স সিষ্টেমস’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যোগ দেন।

গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কথা ঢালাও ভাবে বলা হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। কিছু ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা ও অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে এখন সেটি কেটে গেছে।

তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে গ্রাহককে চড়া সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব নিয়ম মেনেই ঋণ দিচ্ছে।

গভর্নর জানান, ব্যাংকিং খাতের স্থায়ীত্বের জন্য বাংলাদেশে ১৯৮৪ সাল থেকে ‘আমানত বীমা’র প্রচলন আছে। বিশ^ব্যাপী আর্থিক খাতের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এ বীমাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে আমানত বীমাকে আরো এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।

কর্মশালায় এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কমিটির সদস্যদেশ থাইল্যান্ড হতে আগত বিশেষজ্ঞ বক্তা সিংগা নিকর্নপুন, ভারত থেকে আগত কুমুদিনী হাজরা এবং তাইওয়ান হতে আগত হ্যারিসন হোয়াঙ ও উইলিয়াম সু আমানত বীমার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

বিভিন্ন দেশ থেকে আগত এসব বক্তারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমানত বীমার কার্যক্রম, বীমা বিষয়ে জনসচেতনতার ভূমিকা, এ বীমার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাংকিং খাতের স্থ’ায়ীত্বের জন্য এ ধরনের বীমা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা জানান।

কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. নজরুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তি যখন ব্যাংকে টাকা রাখেন তার স্বার্থ সংরক্ষণে সেখান থেকে শতকরা ৭ পয়সা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে এ ধরনের টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে এ তহবিল থেকে আমনতকারীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আর এক লাখ টাকার নীচে যে কোনো পরিমাণ টাকা জমা থাকলে তাকে সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়মের পরিবর্তন এনে আমানতের ওপর টাকা দেওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা গেলে তাতে আমানতকারী ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে আস্থা আরও বাড়বে বলে আইএডিআইর কর্মকর্তারা মত দেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৯৫০ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১

৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা
৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের টিআরএফ সেমিনার
৭ ডিসেম্বর নালিতাবাড়ী মুক্ত দিবস
হোয়াটস অ্যাপ আইডি হারাচ্ছেন কাশ্মীরের ব্যবহারকারী


কজনা’র সভাপতি অলোক বসু-সম্পাদক অনিমেষ কর
জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন শনিবার
আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের হট্টগোল, টেলিপ্যাবের নিন্দা
বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত