php glass

মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির জটিলতা কাটছে না, সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্তে মুচলেকা দেওয়ার পরও মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা কাটছে না। কোম্পানি মুচলেকা দিলেও শেয়ার বাইব্যাক করার চেয়ে বরং বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতেই বেশি আগ্রহী।

ঢাকা: ৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্তে মুচলেকা দেওয়ার পরও মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা কাটছে না। কোম্পানি মুচলেকা দিলেও শেয়ার বাইব্যাক করার চেয়ে বরং বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতেই বেশি আগ্রহী।  জটিলতার মূল কারণটিও এখানেই। ডিএসইর একটি সূত্রে একথা জানা গেছে।

জটিলতা না কাটায় মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি এখনো অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইর বোর্ড মিটিংয়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান।

জানা গেছে, সরকার থেকে মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির জন্য স্পন্সরদের ৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্ত দেয়। এ শর্ত অনুযায়ী কোম্পানিটি এসইসিতে টানা ৬ মাস বাইব্যাক করবে বলে মুচলেকা দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসইর সঙ্গে এসইসি গত ২৩ মার্চ একটি বৈঠক করে। বৈঠকে ডিএসই কোম্পানিটিকে  কোম্পানির স্পন্সরদের বাইব্যাক ও প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির প্রস্তাব দেয়।

কিন্তু কোম্পানির পক্ষ থেকে স্পন্সররা নয় কোম্পানির প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া বাজারে আসার ৬ মাসের মধ্যে এর শেয়ারে প্রাইমারি বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানাবে।

ডিএসই ক্ষতির পরিমাণ অনুযায়ী কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলবে। এসইসি কোম্পানির এ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে তালিকাভুক্তির পদক্ষেপ নিতে বলেছে। কিন্তু কোম্পানির এ শর্তকে ডিএসই গ্রহণযোগ্য মনে করছে না।

এ ব্যাপারে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, শেয়ার বাইব্যাক করতে হলে আইন অনুযায়ী স্পন্সররা তা করতে পারবে। কোম্পানির প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট থেকে করা যাবে না। কারণ এ টাকাও কোম্পানির টাকা। কোম্পানির অর্থ দিয়ে বাইব্যাকের সুযোগ নেই। এটি আইনে গ্রহণযোগ্য হবে না।

ডিএসই এ ধরনের শর্তে তালিকাভুক্তির সুযোগ দিয়ে কোনো দায়ভার নেবে না। এ ব্যাপারে আগামীকাল বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 
ডিএসইর অপর এক পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক বাংলানিউজকে বলেন, শেয়ার বাইব্যাক কিংবা প্রাইস সাপোর্টের শর্তে তালিকাভুক্ত করতে ডিএসই রাজি আছে।

কিন্ত কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করতে রাজি নয়। তারা চায় বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারকে বিনিয়োগকারীর ক্ষতির হিসাব রাখতে হবে। এটা কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

কারণ প্রতিটি ব্রোকার হাউজে ১৫ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত বিনিয়োগকারী আছে। এরমধ্যে আলাদা আলাদা ভাবে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হিসাব করা সম্ভব নয়। কারণ কোনো বিনিয়োগকারী ৪০ টাকা কোনো বিনিয়োগকারী ১০০ টাকা ক্ষতি হবে। আবার কেউ দুই দিন পরেই বিক্রি করবে কেউ বা ৫ মাসের মাথায় বিক্রি করবে। এ ক্ষেত্রে কোন বিনিয়োগকারী কতো টাকা ক্ষতি করল বা কোন বিনিয়োগকারী কবে মবিল যমুনার শেয়ার বিক্রি করল এ হিসাব রাখা ব্রোকারদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ দায়ভার নিয়ে ডিএসই কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করবে না। এ ব্যাপারে আগামীকাল বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৪ ঘণ্টা, মার্চ২৩, ২০১১

‘তথ্য বিভ্রাট ও গোপন করাই দুর্নীতির কারণ ও উন্নয়নে বাধা’
ডাকসু নেতাদের কর্মকাণ্ড ভালো লাগে না: রাষ্ট্রপতি
‘অজয় রায় আমাদের জন্য পথ তৈরি করেছিলেন’
জাতীয় কৃষক পার্টির সভাপতি সাহিদুর, সম্পাদক লিয়াকত 
বিডিওয়াইইএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা


৮ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার
শাজাহান খানের বক্তব্যে সরকার বিপদে পড়বে না: কাদের
লঙ্কানদের হারিয়ে সৌম্য-শান্তদের স্বর্ণ জয়
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সেবায় জিপি-সৃজনী-ফেরাটম গ্রুপ
কমলগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু