php glass

মূলধন ঘাটতি পূরণে পিছিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

ব্যাসেল-২-এর আওতায় মূলধন ঘাটতি পূরণে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো এগিয়ে থাকলেও পিছিয়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক। সাধারণভাবে মূলধন ঘাটতি পূরণ করলেও ব্যাসেল-২-এর শর্ত মোতাবেক ব্যাংকগুলোতে এখনো মূলধন ঘাটতি রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা : ব্যাসেল-২-এর আওতায় মূলধন ঘাটতি পূরণে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো এগিয়ে থাকলেও পিছিয়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক। সাধারণভাবে মূলধন ঘাটতি পূরণ করলেও ব্যাসেল-২-এর শর্ত মোতাবেক ব্যাংকগুলোতে এখনো মূলধন ঘাটতি রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
প্রসঙ্গত: ব্যাসেল-২-এর আওতায় প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে পর্যাপ্ত পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করতে হবে। ২০১১ সালের মধ্যে ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ মনিটরিং অনুযায়ী সামগ্রিকভাবে তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ হারে মূলধন সংরণ করতে সম হয়েছে। তবে ব্যাংকওয়ারী হিসাবে ৭/৮টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোও তাদের চেয়ে ভাল অবস্থানে আছে।
 
জানা গেছে, ব্যাসেল-২-এর আওতায় সোনালী ব্যাংকের ১৪৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, জনতা ব্যাংকের ৫৬৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের ৩৫৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা ও রূপালী ব্যাংকের ২২৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূলধন ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যাংকগুলোকে পুনরায় তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
 
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বর (২০১০) পর্যন্ত সার্বিকভাবে ব্যাংকগুলো তাদের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ হারে মূলধন সংরণ করতে সম হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, ব্যাসেল-২ নীতিমালার আওতায় ন্যূনতম মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত জুন ২০১০ পর্যন্ত মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৮ শতাংশ, জুন ২০১১ পর্যন্ত ৯ শতাংশ ও জুলাই ২০১১ হতে ১০ শতাংশ বা ততোধিক হারে সংরণের জন্যে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  

এছাড়া ব্যাসেল-২-এর আওতায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঝুঁকি, পরিচালনা ঝুঁকি ও বাজার ঝুঁকি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য যেসব ঝুঁকি রয়েছে এর মধ্যে রয়েছে- ক্রেডিট কন্সেন্ট্রেশন রিস্ক, দায় ও সম্পদের ম্যাচিউরিটি মিস্ ম্যাচ রিস্ক, সেটেলমেন্ট রিস্ক, লোন রাইজিং রিস্ক, কান্ট্রি রিস্ক ইত্যাদি। সব ধরনের ঝুঁকির বিপরীতে যে মূলধন সংগ্রহের নির্দেশ ব্যাসেল-২-এর গাইড লাইনে দেওয়া হয়েছে, তা পর্যাপ্ত মূলধন বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ সময় : ১৯৫৩ ঘণ্টা, মার্চ ২০, ২০১১

সৌমনা দাশগুপ্ত'র একগুচ্ছ কবিতা ।। সৌমনা দাশগুপ্ত
ধামরাইয়ে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সরকার আবার আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে: রিজভী
জনসনের জয়ে ট্রাম্পের নজর বাণিজ্যে!
একাত্তরে চট্টগ্রামজুড়ে গণহত্যা


ইয়োগা অনুশীলনের আগের সতর্কতা
চলে গেলেন অভিনেতা-চিত্রনাট্যকার গোলাপুডি মারুতি রাও
পাটকল শ্রমিকের জানাজা সম্পন্ন, উত্তপ্ত খুলনার শিল্পাঞ্চল
আসামির সেলফিকাণ্ড, ঘটনা তদন্তে ডিবি
৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় এত ভয়াবহ বার্ন দেখিনি: সামন্ত লাল