php glass

বীমা কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তিতে মূলধনী শর্ত শিথিলের সুযোগ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বীমা কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে মূলধনী শর্ত শিথিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত শিথিলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আপত্তি না থাকলেও বীমার নতুন আইন পাশের পর অথরিটি গঠনে বিলম্ব হওয়ায় এ খাতের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সংস্থাটি।

ঢাকা: বীমা কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে মূলধনী শর্ত শিথিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত শিথিলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আপত্তি না থাকলেও বীমার নতুন আইন পাশের পর অথরিটি গঠনে বিলম্ব হওয়ায় এ খাতের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সংস্থাটি।

সম্প্রতি গঠিত হওয়া বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকে পুরোনো বীমা কোম্পানিগুলোর জন্য মূলধনী শর্ত শিথিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে বীমা কোম্পানিগুলো এখন ৩০ কোটি টাকার কম মূলধন নিয়ে বাজারে আসতে পারবে।

এদিকে মূলধনী শর্ত শিথিল হওয়ায় বাজারে আসার সুযোগ পাচ্ছে আটটি কোম্পানি। এর মধ্যে পাঁচটি কোম্পানি গত এক বছর আগে আবেদন করেছে। নতুন করে আরও তিন কোম্পানি বাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ কোম্পানিগুলো হলো- সানফ্লাওয়ার লাইফ, মেঘনা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল, দেশ জেনারেল, পদ্মা লাইফ, ক্রিস্টাল, সাউথএশিয়া ও ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স।

ক্রিস্টাল, সাউথএশিয়া ও ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স এর ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

এই কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফ বলেন, মূলধনী শর্ত শিথিলের সুযোগ দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কোম্পানিগুলো আইপিও কার্যক্রম শুরু করেছে।
 
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে- নতুন আইনে সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি ও জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা। তবে আইন পাশের আগে গঠিত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করা হয়েছে। এ কোম্পানিগুলো আগের মূলধন অনুযায়ী পুঁজিবাজারে আসতে পারবে।

জানা যায়, বীমা কোম্পানিগুলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশের তিন বছরের মধ্যে বাজারে আসা বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আর্থিক অসঙ্গতির কারণে বাজারে আসতে পারেনি তাদের প্রতিদিন এক হাজার টাকা করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

এদিকে গত ৩ মার্চ জাতীয় সংসদে ‘বীমা আইন ২০১০‘ ও ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ২০১০’ পাশ হয়। নতুন আইনের বিধান অনুযায়ী সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ কোটি এবং জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন সাড়ে সাত কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এতে বীমা কোম্পানিগুলো পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। এতে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিগুলোও তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন জমা দিতে শুরু করে।

কিন্তু ২০০৯ সালের ১১ মার্চ এসইসি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এতে বিপাকে পড়ে বীমা কোম্পানিগুলো। কারণ এ এসইসির এ শর্ত পূরণ করে বাজারে আসা সম্ভব হচ্ছে না।

এসইসির এ শর্তের কারণে পাঁচটি বীমা কোম্পানির আইপিও আবেদন আটকে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি বীমা কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির শর্ত শিথিলের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে ২০০৯ সালের জুন মাসে একটি ও ১৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় নির্দেশনা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বীমার নতুন অথরিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।

অবশেষে নতুন অথরিটি গঠিত হওয়ার পর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকেও দুই দফায় নির্দেশনা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, যেহেতু বীমার নতুন আইন পাশ হয়েছে। সেক্ষেত্রে এ ব্যাপারে বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত দেবে। অবশেষে নতুন অথরিটি গঠিত হওয়ার পর বীমা কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসন হলো।

এদিকে এসইসিতে আটকে আছে ৫২ কোটি টাকার পাঁচটি বীমা কোম্পানির আইপিও আবেদন। এর মধ্যে গত ২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স নয় কোটি টাকার আইপিও আবেদন করে। এর চার লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের ১০০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ফেসভ্যালু ধরা হয় ২০০ টাকা।

একই বছরের ২৮ এপ্রিল মেঘনা ইন্স্যুরেন্স নয় কোটি টাকার আইপিও আবেদন করে। এর মধ্যে নয় লাখ শেয়ারের ফেসভ্যালু ধরা হয় ১০০ টাকা।

একই দিন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিও আবেদন করে। এর নয় লাখ শেয়ারের ৫০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ৫০ টাকা।

২৯ এপ্রিল দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স নয় কোটি টাকার আইপিও আবেদন করে। এর নয় লাখ শেয়ারের ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ১০০ টাকা।

একই দিন পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১১ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার আইপিও আবেদন করে। এর চার লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের ১৪৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ২৪৫ টাকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, ২০ মার্চ, ২০১১

মিয়ানমারে গণহত্যার বিচার শুরু, সন্তুষ্ট রোহিঙ্গারা
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসই মানবাধিকার অর্জনের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা আয়োজন সিএমপির
২ বছরের মধ্যে ডিএনসিসির সব সুবিধা মিলবে অনলাইনে: আতিক
গণপরিবহনে যৌন হয়রানি বন্ধ চান সুজন


১৪২টি পদক নিয়ে ১৩তম আসর শেষ করল বাংলাদেশ
আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে ‘উড়ে যাওয়া পাখির চোখ’
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছাত্রলীগ নেত্রী নিহত
‘শান্তির দূত’ থেকে যেভাবে গণহত্যার কাঠগড়ায় সু চি 
টিকফা বৈঠক পিছিয়ে মার্চে