php glass

মবিল যমুনা, এমআই সিমেন্টে আটকে আছে বিনিয়োগকারীদের এক হাজার কোটি টাকা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে সাত লাখ বিনিয়োগকারীর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা এ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

ঢাকা: মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে সাত লাখ বিনিয়োগকারীর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা এ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

তালিকাভুক্তির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৬ মাসের বাইব্যাকের যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তা আইন সঙ্গত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর তাই আশাবাদী হতে পারছেন না তারা।  
 
জানা যায়, নিজেদের শেয়ার বাজার থেকে কিনে নেওয়ার জন্য (বাইব্যাক) সরকার এ দু’টি কোম্পানিকে ৬ মাস সময় বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু এ দুই কোম্পানির শেয়ার বাইব্যাকের এই বিশেষ শর্ত বাইব্যাক আইনে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া পর্যাপ্ত রিজার্ভ না থাকলে চাইলেও শেয়ার বাইব্যাক করতে পারবে না তারা। তবে স্পন্সররা চাইলে নিজেদের টাকা দিয়ে বাইব্যাক করতে পারবে।

এ শর্ত নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে তালিকাভুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মবিল যমুনার পক্ষ থেকে তালিকাভুক্তির জন্য দু’মাস সময় চাওয়া হয়েছে। গত ১৩ মার্চ এসইসি এ আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।

এদিকে তালিকাভুক্তিতে বিলম্ব হলে কোম্পানি দু’টিতে সাত লাখ বিনিয়োগকারীর ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আটকে যাবে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মবিল যমুনার চার কোটি শেয়ারের বিপরীতে চার লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট-লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে।

এমআই সিমেন্টে তিন কোটি শেয়ারের বিপরীতে তিন লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৩৪ কোটি টাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

কোম্পানি দু’টির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তা নিয়ে বাংলাদেশ পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএলসি) সভাপতি ও এসইসির পরামর্শক কমিটির সদস্য সালমান এফ রহমান বলেন, শেয়ার বাইব্যাকের জন্য এক মাস বা ৬ মাস-- যে সময়ই দেওয়া হোক তা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে দু’টি পথ খোলা আছে। আর তা হলো কোম্পানি দু’টিকে আইপিওর টাকা ফেরত দিতে হবে অথবা কোনো শর্ত ছাড়াই বাজারে আসার সুযোগ দিতে হবে। এক্ষেত্রে শেয়ারের দর পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বিনিয়োগকারীদেরই নিতে হবে।

এ ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, এ ধরনের শর্ত যুক্তিসঙ্গত নয়। এ শর্ত নিয়ে বাজারে আসার সুযোগ দিলে খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে।   

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ ঘণ্টা, ১৫ মার্চ, ২০১১

‘যুদ্ধে হিট অ্যান্ড রানে বিশ্বাসী ছিলাম’
ভারতে সেনা ক্যাম্প থেকে রাইফেল-গুলি চুরি, জরুরি সতর্কতা
মূল্য নিয়ন্ত্রণে আগাম ভারতের বাজার পযর্বেক্ষণ জরুরি
শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্যের জন্য অসুস্থ রাজনীতি দায়ী
যেখানে মেসি-সুয়ারেজের চেয়ে এগিয়ে গ্রিজম্যান


চাকরির আবেদনে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি
রাঙ্গুনিয়ায় নুরুন্নাহার স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা
সোনার স্বপ্ন জাগিয়েও পারলেন না আঁখি
ঘটছে দুর্ঘটনা, তবুও উল্টো পথে চলছে গাড়ি
কাতারকে হারিয়ে গালফ কাপের ফাইনালে সৌদি আরব