ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ রজব ১৪৪২

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চসিক নির্বাচন

নিষ্পত্তি হওয়া অধিকাংশ অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইসি

মিনার মিজান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৯২৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০২১
নিষ্পত্তি হওয়া অধিকাংশ অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইসি ফাইল ছবি।

চট্টগ্রাম: বুধবার (২৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা পড়েছে অর্ধশতাধিক অভিযোগ।

তবে অধিকাংশ অভিযোগেরই সত্যতা পায়নি নির্বাচন কমিশন।  

এদিকে নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেও বেশ কিছু অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়নি। কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযোগের পাল্লা ভারি হচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ৫৬টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন সর্বোচ্চ ১২টি অভিযোগ করেন৷ মাত্র ৪টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়। নিষ্পত্তি করা অভিযোগের মধ্যে একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। এছাড়া বাকি তিনটি অভিযোগের সত্যতা পায়নি নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর করা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে।

এ পর্যন্ত মোট ২৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যারমধ্যে ১৫টির সত্যতা পায়নি কমিশন। এছাড়াও পাঁচটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সতর্ক করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের এবং তিনটি অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি ও মামলা করা হয়েছে। বিভিন্ন জটিলতায় তিনটি অভিযোগের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে ৩টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে একটি অভিযোগ ডা. শাহাদাত, একটি অভিযোগ পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কফিল উদ্দীন খান এবং অন্য অভিযোগটি পাঠানটুলি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর করেছেন।

রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের বেশিরভাগের কোনো সুরাহা না হওয়া এবং লঘুদণ্ড হওয়ার কারণে দিন দিন অভিযোগের প্রবণতা বাড়ছে। অনেক প্রার্থী অতীতে পুলিশের তালিকাভুক্ত আসামি হয়েও মনোনয়ন পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তারা ধরাকে সরাজ্ঞান করছেন।  

সচেতন নাগরিক সমাজ ও টিআইবি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, নির্বাচন কমিশন যেভাবে ভূমিকা রাখার কথা সেভাবে রাখতে পারছে না। কমিশনের ওপর খুব একটা আস্থা আছে এমনও নয়। সবদিকে অনিয়ম থাকলে এবং সুশাসনের ঘাটতি থাকলে হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হয়ে যাবে এটি ভাবার কোনো কারণ নেই।
 
নির্বাচনে অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. হাসানুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, স্থগিত হওয়া নির্বাচনের তুলনায় এবার অভিযোগের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বেশ কিছু অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ের মধ্যেই এসব অভিযোগের নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করছি।

বাংলাদেশ সময়: ০৯২২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০২১
এমএম/এসি/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa