চট্টগ্রামে আইসিইউ সংকট, ভরসা বেসরকারি হাসপাতাল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ফাইল ফটো

walton

চট্টগ্রাম: করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সুবিধা না থাকায় প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। এর মধ্যে সংক্রমণের আশঙ্কায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিপাকে স্থানীয় প্রশাসন।

তবে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির বলেছেন, সংকটকালীন সময়ে বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রামের যেসব হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা রয়েছে তাদেরকে আপাতত দুটি করে বেড প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। তারা বেড প্রস্তুত করলে আইসিইউ’র সমস্যা কিছুটা হলেও নিরসন হবে।

আইসিইউ সুবিধা ব্যাপারে চট্টগ্রাম বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী বাংলানিউজকে বলেন, দেশের প্রয়োজনে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্য পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমাদেরকে দুটি করে বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাছাড়া এ রোগের চিকিৎসা বিক্ষিপ্তভাবে দেওয়া যাবে না। আমরা আইসিইউ বেড প্রস্তুত রেখেছি। যখন প্রয়োজন সবগুলো বেড একসঙ্গে করে রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে এখনও ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ (পিপিই) সংকট রয়েছে। আমরা নিজেদের মতো করে পিপিই সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। সবমিলিয়ে সমন্বিতভাবে এ দুর্যোগ মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১৯ মার্চ দুপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও মোকাবিলা সংক্রান্ত বিভাগীয় কমিটির সভায় অন্য রোগীদের মাঝে সংক্রমণের শঙ্কায় চমেক হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ব্যাপারে অপারগতা প্রকাশ করেন হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কবির।

বাংলাদেশ সময়: ১২১৮ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০২০
এমএম/এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চট্টগ্রাম
রামজান উপলক্ষে বুধবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করবে সিএমপি
করোনা: পোল্ট্রি শিল্পে ক্ষতি ১১৫০ কোটি টাকা
 কবি হাসান হাফিজুর রহমানের প্রয়াণ
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ইতালিতে আরও ৮৩৭ জনের মৃত্যু


গোপনে রাতের আঁধারে ত্রাণ পৌঁছে গেল ঘরে
কুষ্টিয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে দুই ভাই নিহত
চট্টগ্রামে আইসোলেশনে থাকা রোগীর মৃত্যু 
১০ হাজার অসহায় পরিবারের পাশে পিএইচপি ফ্যামিলি 
হটলাইনে ফোন করে খাবার পেলো ৪১ পরিবার