php glass

নাশকতা মামলা থেকে খালাস পেলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতীকী ছবি

walton

চট্টগ্রাম: ২০১২ সালে নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন সব আসামি। এ মামলার আসামিরা বিএনপির মহানগর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মো. খায়রুল আমীন এই রায় দেন বলে বাংলানিউজকে জানান আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার।

খালাস পেয়েছেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহ আলমসহ ২২ জন আসামি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১৩ মে বিকেলে নূর আহমদ সড়কের নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জড়ায় জোটের নেতাকর্মীরা। পরে লালখানবাজার আমিন সেন্টারের সামনে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় শাহ আলমসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে খুলশী থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।

অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার বাংলানিউজকে জানান, তদন্ত শেষে এজাহারভুক্ত ও গ্রেফতার তিন আসামিকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে পুলিশ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। কিন্তু আদালত ১৯ জনের সঙ্গে ওই তিনজনসহ মোট ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করে। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আব্দুস সাত্তার জানান, এ পর্যন্ত নাশকতার তিনটি মামলায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খালাস পেয়েছেন। পৃথক দুইটি মামলায় ২০১৮ সালে মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাতসহ ৩২ জন এবং মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মণিসহ ৫ জন খালাস পান।

বাংলাদেশ সময়: ২৩১৮ ঘণ্টা, আগস্ট ২৭, ২০১৯
এসকে/টিসি

বরিশালে চতুর্থ দিনে ৯১ লাখ টাকার কর আদায়
তামিম ঢাকায়, খুলনায় মুশফিক
কর দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব
হামিদের সংকটাপন্ন অবস্থা দেখে হতবাক পরিবার
ব্রহ্মপুত্রে ভাঙন, ঠাঁই নেই ভাঙনকবলিতদের


চট্টগ্রামকে বড় ব্যবধানে হারালো সিলেট
ডিমলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
স্বাধীন প্রসিকিউশন সার্ভিস কমিশন গঠনে রুল
রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর করায় ২ ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কার
ঘাস মারার ওষুধ ছিটিয়ে পানবরজের ক্ষতি