php glass

৩ ঘণ্টায় খালের ৪০০ মিটার জায়গা উদ্ধার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নোয়াখালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি: উজ্জ্বল ধর

walton

চট্টগ্রাম: নগরের নোয়াখালের ওপর গড়ে ওঠা ১৮টি অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে খালটির প্রায় ৪০০ মিটার জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খালটির একটি অংশে অভিযান চালিয়ে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুল আলম চৌধুরী এ অভিযান পরিচালনা করেন।

নোয়াখালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি: উজ্জ্বল ধরএ সময় সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী, সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, অভিযানে দ্বিতীয় দিন নোয়াখালের ওপর গড়ে ওঠা ১৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে বহুতল-সেমিপাকা ঘর ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ছিল। এসব স্থাপনা উচ্ছেদের পর অবৈধভাবে দখল হওয়া খালটির প্রায় ৪০০ মিটার জায়গা উদ্ধার হয়েছে।

আহমেদ মাঈনুদ্দিন আরও বলেন, বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) নোয়াখালের আরেকটি অংশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

‘পর্যায়ক্রমে নগরের ১৩টি খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এসব খালের ওপর প্রায় ১৬শ স্থাপনা রয়েছে। অভিযান চলবে আগামী দুই মাস।’

নোয়াখালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী বাংলানিউজকে বলেন, খালগুলোর ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সিডিএকে আমরা সহযোগিতা করছি। পাশাপাশি উচ্ছেদের পর জায়গাগুলো অধিগ্রহণ করা হচ্ছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজখালী খালের ২৬টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে ১ কিলোমিটার জায়গা উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়।

ডিপিপি অনুযায়ী গৃহীত এ মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২০ ঘণ্টা, জুলাই ৩, ২০১৯
এসইউ/টিসি

রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম
দম ফেলার ফুসরত নেই সাভারের ফুল বিক্রেতাদের
১৬ ডিসেম্বর বাঙালির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জনের দিন
জাপার ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
ফ্যান কারখানায় নিহত প্রত্যেকের পরিবার পাচ্ছে ৫০ হাজার টাকা


ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি আখতার, সম্পাদক মোস্তাফিজ
এক হাজারের বেশি নারীর প্রোলেপস সারিয়েছেন ডা. শিরীন
ইউনাইটেডকে বাঁচালেন গ্রিনউড
বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করতে বিআইডব্লিউটিএর অভিযান
সিএমপির প্রতিটি থানায় হবে মুক্তিযোদ্ধা কর্নার