সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে নারী নেত্রীদের ‘দৌড়ঝাঁপ’

নিউজরুম এডিটর | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নির্বাচন ভবন

চট্টগ্রাম: জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে চট্টগ্রাম থেকে জায়গা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন ডজনখানেক নারী নেত্রী। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের পর এরই মধ্যে তাদের শপথও হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী, এর ৩০ দিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করে ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জনকে সংসদ সদস্য পদ দেওয়া হয়। তারা হলেন-প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আতাউর রহমান খান কায়সারের মেয়ে ওয়াসিকা আয়েশা খান, সাবেক চসিক কাউন্সিলর সাবিহা মুছা এবং রাঙামাটির নারী নেত্রী ফিরোজা বেগম চিনু।

পড়ুন>>পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু

তাদের সঙ্গে এবার আলোচনায় রয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা মান্নান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার বেগম, সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাসন্তী প্রভা পালিত, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর রেখা আলম চৌধুরী ও রেহেনা কবির রানু, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরোয়ার কাবেরী এবং কক্সবাজার মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কানিজ ফাতেমা মোস্তাক।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, এরই মধ্যে দল ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন সংরক্ষিত এমপি পদে আগ্রহীরা। পাশাপাশি তাদের অনেকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করছেন। প্রায় প্রতিদিনই গণভবনে ভিড় করছেন তারা। 

তবে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, গত সংসদগুলোতে সংরক্ষিত নারী এমপি পদে যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন তারা এবার দলের মনোনয়ন পাবেন না। সেই দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন নতুনরাই।  

যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘মার্চের মধ্যে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। যে কোনো সময়ে সংরক্ষিত আসনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।’

আইন প্রণয়নে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯৭২ সালে সংবিধানে বিশেষ কোটা চালু করা হয়। সেই থেকে প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ থাকছে। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আরো ২৫ বছর নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বহাল রাখতে সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করা হয়েছে।

২০০৪ সালে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৫টি নারী আসন ১০ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। এর আগে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ৩০টি। পরে নবম সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১০০০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৭, ২০১৯
এসি/টিসি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন: চট্টগ্রাম সংসদ
হুয়াওয়ের পৃষ্ঠপোষকতা নেবে না অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
নতুনরূপে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, থাকবে ২৫ হাজার আসন
বিরোধী দলের ভূমিকায় ১৪ দলের শরিকরা, স্ববিরোধী
উপজেলা নির্বাচনের ব্যয় বরাদ্দ ৬৭৭ কোটি টাকা
তিন হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে টেসলা
মোদিকে ‘হটাতে’ মমতার মহাজোটের প্রথম সমাবেশ কলকাতায়
খুলনায় মাদকবিক্রেতাসহ গ্রেফতার ৩৯
মেহেরপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ বিক্রেতা আটক
না'গঞ্জে পৃথক ঘটনায় ১৮ জনকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা
লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকের বাসায় চুরি