জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: নওফেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ছবি: বাংলানিউজ

চট্টগ্রাম: জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, যাদের নিবন্ধন নেই- তারা এখন একটি বড় রাজনৈতিক ঐক্যের সঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে। এ কারণে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো ভোট কেন্দ্র জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।’

নওফেল বলেন, ‘জামাত-শিবিরের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে বলছি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন আছে।’

সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪, চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১০ ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের মতবিনিময় সভায় তিনি এ দাবি জানান।

আরও খবর>>
** 
পুলিশে রদবদল চাইলেন নোমান
** একচোখা নয়, সমান আচরণ করবো

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সবার মধ্যে আগ্রহ আছে। সারাদেশে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে আমরা অনেক আলোচনা-সমালোচনা কিংবা দাবি করে থাকি। এসব আলোচনা-সমালোচনা কিংবা দাবি তখনই যুক্তিযুক্ত হবে, যখন সুনির্দিষ্টভাবে করা হবে। অমুক ভয় পাচ্ছেন, তমুক ভয় পাচ্ছেন, ক্যামরা দিয়ে ছবি তোলা হচ্ছে- এসব ঢালাও কথা বলা ঠিক নয়। ভয় তাদের মধ্যেই থাকবে, যারা অপরাধ করবে।

বক্তব্য দেন মইনুদ্দিন খান বাদল। ছবি: উজ্জ্বল ধরনওফেল বলেন, অনেকে বলছেন ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি আছে। কিন্তু আমি যেখানে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছি। সেখানে ভোটারদের মধ্যে কোনো ভয়-ভীতি দেখছি না। সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। অনেকের সঙ্গে আমার দেখা, কথা কিংবা কোলাকুলিও হয়েছে। সব দলের ব্যানার-পোস্টার আমি দেখেছি।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিহতের নামে সারাদেশে জ্বালাও-পোড়াও এর রাজনীতি করা হয়েছে। ৫০০ জনের বেশি মানুষকে পুড়িযে মারা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের সবোর্চ্চ নেতৃত্ব আদেশ দিয়ে, ঘোঘণা দিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। তারা আবারও এরকম করতে পারে। যারা এসব কাজে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।

‘একজন প্রার্থী হিসেবে আমি বলবো, কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তাকে গ্রেফতার করুন। কিন্তু যদি অভিযোগ না থাকে, তাহলে শুধু রাজনৈতিক কারণে কাউকে গ্রেফতার করবেন না। নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করাটা নিন্দনীয়’ বলেন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

নির্বাচন সম্পর্ক নষ্ট করুক, তা চাই না:

জাসদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মইনুদ্দিন খান বাদল বলেন, আমরা যে যেভাবেই বলি, প্রতিবেশীকে, সমাজকে, দেশকে আমরা ফেলতে পারবো না। একটা নির্বাচন আমাদের এত দিনের সম্পর্ক নষ্ট করুক, তা চাই না। এজন্য আমি নিজে আচরণবিধি মেনে চলার চেষ্টা করি।

তিনি বলেন, সবার প্রতি যাতে সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়, সেই চেষ্টা করুন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সারা দেশে চট্টগ্রামই হবে মডেল।

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী এমএ লতিফের পক্ষে অহিদ সিরাজ স্বপন, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী ডা. আফসারুল আমিনের পক্ষে ইকবাল চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩১ জন প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা নির্বাচন নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০১০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮
এমআর/টিসি

বরিশালে কিশোর দিনমজুরের আত্মহত্যা
আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী আটক, দুই ডিবি পুলিশ আহত
লঞ্চের টিকিট কালোবাজারী, ২ জনকে কারাদণ্ড
পরিকল্পিত আবাসন গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
নারায়ণগঞ্জের মন্দিরে আগুন, আতঙ্কে আহত ১০


কুমিল্লায় হাসপাতালের ল্যাবে অগ্নিকাণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই যুবককে ছুরিকাঘাত
চকবাজার অগ্নিকাণ্ডে পাকিস্তানের শোক
ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশি দল ভারতে
‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি পান শেখ মুজিবুর রহমান