২০ দলীয় জোটের জটিল সমীকরণ চট্টগ্রামের ৩ আসনে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

...

চট্টগ্রাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী), চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী-খুলশী) ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী নির্ধারণ নিয়ে চলছে জটিল হিসাব।

ইতোমধ্যে হাটহাজারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা এবং বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ ছাড়া সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ন ম শামসুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসনটি বিএনপি প্রার্থীর পরিবর্তে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতীককে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

বিএনপি ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত এ আসনে ১০টি নির্বাচনের মধ্যে বিএনপি ৬ বার জয় পায়। তবে দলীয় কোন্দলের কারণে তিন ধারায় বিভক্ত সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হতে পারে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন তাকে এ আসনে নির্বাচন করার কথা বলেছিলেন। এর প্রেক্ষিতে ৭ বছর ধরে তিনি হাটহাজারীতে কাজ করেছেন। তিনি ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। 

জোটের প্রার্থী হিসেবেই হাটহাজারী থেকে নির্বাচন করতে চান তিনি। যদি জোটবদ্ধ নির্বাচন না হয়, তবে বিএনপি তাদের দলীয় যে সিদ্ধান্ত নেবে, তার বিরুদ্ধে তিনি যাবেন না বলেও জানিয়েছেন।

ডবলমুরিং-হালিশহর আসনের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ২০০৮ সালে হেরে গেলেও মাঠ ছাড়েননি। নোমান বলেছেন, এ আসনে বিএনপি অনেক শক্তিশালী। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপির জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

যদি জোটের প্রশ্নে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে দ্বন্দ্বটা এবার প্রকাশ্যেই আসবে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে দলীয় সূত্র।

সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায়ও বিএনপি তিন ধারায় বিভক্ত। নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াত এ আসনে নির্বাচন করলেও বিএনপির সমর্থকদের ভোট পাবেন না। কারণ, জামায়াতের সঙ্গে এখানে বিএনপির সমঝোতা নেই।

১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে আসনটিতে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয় পান জামায়াতের আ ন ম শামসুল ইসলাম।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০১৮
টিসি

চকবাজার অগ্নিকাণ্ডে এরদোয়ানের শোক
মেসির হ্যাটট্রিকে বার্সার জয়
ডিজিটাল কেওয়াইসি চালু করলো নগদ
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দুই ডাকটিকিট
চকবাজারে ফের আগুন আতঙ্ক, ছোটাছুটিতে আহত ৭


চকবাজার ট্র্যাজেডি: কারণ অনুসন্ধানে আইইবি’র কমিটি
‘সংস্কৃতিচর্চা জাতিকে অশুভ শক্তি থেকে বিরত রাখে’ 
শেষ ছুটির দিনে প্রাণবন্ত বইমেলা
উত্তরায় বাসের ধাক্কায় কিশোরের মৃত্যু
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্বাস, সম্পাদক ফরিদ