ফ্যাকাল্টি ইমপ্যাক্ট পুরস্কার পেলেন ইডিইউর ৩ শিক্ষক

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সেরা প্রভাষকদের পুরস্কার দেন ইডিইউর ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান।

চট্টগ্রাম: গবেষণা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। নিত্য-নতুন তথ্য খুঁজে বের করা এক ধরনের দুরন্ত নেশা তার। দিনের ২৪ ঘণ্টার ১৮ ঘণ্টাই নাকি কাটে বই নিয়ে।

বলছিলাম মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কথা। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) স্কুল অব সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের এই লেকচারার পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের সেরা গবেষণার পুরস্কার।

সফটওয়ারের মাধ্যমে ব্রেইন টিউমার শনাক্তকরণের পদ্ধতি নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী গবেষণার কারণে এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

তবে কেবল তিনি নন, সেরা ‘টিচিং’ ও ‘ইউনিভার্সিটি সার্ভিস’ ক্যাটাগরিতে আরও দুই তরুণ শিক্ষককে পুরস্কারে সম্মানিত করেছে ইডিইউ কর্তৃপক্ষ।

তারা হলেন- স্কুল অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের শারুল ইসলাম ও স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের তাসমিম চৌধুরী বহ্নি।

বৃহস্পতিবার(১২ এপ্রিল) সকালে নগরীর খুলশীর পূর্ব নাসিরাবাদের ইডিইউর স্থায়ী ক্যাম্পাসে সেরা এই তিন প্রভাষকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান। এই সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদের সব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আল নোমান বলেন, মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির চিরন্তন চাওয়া হলো ভালো কাজের স্বীকৃতি। কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা ও সক্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইডিইউর শিক্ষকরা যেন নবোদ্যমে আগামী দিনগুলিতে জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে বাড়তি উৎসাহ পান সেই প্রত্যাশায় এমন উদ্যোগ নিয়েছি আমরা।     

তিনি আরও বলেন, ইডিইউ সবসময় চায় শিক্ষা গবেষণার বিষয়বস্তু হয়ে এগিয়ে যাক। শিক্ষার চর্চা, পরিকল্পনা ও শিক্ষকদের মান্নোয়নকে কীভাবে সময়ের সঙ্গে গতিশীল করা যায় সেই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান।

সভাপতির বক্তব্যে ইডিইউর উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের স্বীকৃতি ধরে রাখার বার্তা দিয়ে গেল। অন্যদিকে যারা পাননি তাদের ভিতর স্বীকৃতি পেতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরনা জোগালো। দুটোই আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক।

নিজেদের কাজের স্বীকৃতি পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইডিইউর শিক্ষকরা।  সেরা টিচিং বা পাঠদান ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিজয়ী শিক্ষক শারুল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমার ভালো সময় কেটেছে। অনলাইনে ক্লাস নেওয়া, টেকনোলজি ব্যবহার করা, কেস স্টাডি ধরে পড়ানো এসব-ই হয়তো পুরস্কার পেতে মানদন্ড হিসেবে কাজ করেছে।

অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার তাসমিম চৌধুরী বহ্নি বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি সার্ভিস’ শাখায় বিজয়ী হিসেবে আমার নাম শুনে দারুণ বিস্মিত হয়েছি। ক্লাস কার্যক্রমের বাইরে সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ছিল সবসময়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ট্রেজারার প্রফেসর সামস উদ দোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সজল বড়ুয়া, অ্যাসোসিয়েট ডিন ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ২১০৬ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১৮

জেইউ/টিসি      

রাঙামাটিতে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে আহত ৫
‘জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য’র গ্রহণযোগ্যতা নেই
বেপরোয়া গ্রিন লাইনের ধাক্কায় প্রাণ গেলো যুবকের
কর্ণফুলী-আনোয়ারায় জাবেদকে পরিচয় করিয়ে দিলেন কাদের
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মোস্তফা কামালের ‘থ্রি নভেলস’
অস্কারে যাচ্ছে ‘ডুব’
খালেদার বড়পুকুরিয়া খনি মামলার চার্জ শুনানি ২৫ অক্টোবর
ঝিনাইদহে জামায়াত-শিবিরের ২ কর্মীসহ আটক ৬৬
মহেশপুরে ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত
‘রাহুলকা পুরা খানদান চোর’, বললেন সীতারাম