অনুমতি না মিললেও অনড় বিএনপি, উৎকণ্ঠায় কর্মীরা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

লোগো

চট্টগ্রাম: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নগরীর লালদীঘি মাঠে জনসভার আয়োজন করেছিল বিএনপি। বুধ ও বৃহস্পতিবার মাঠটি ব্যবহারের অনুমতিও নেওয়া হয়েছিল সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। কিন্তু সেখানে জনসভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। 

লালদীঘি না হলে কাজির দেউড়ি মোড়ে অনুমতি চেয়েছিল বিএনপি। এখনো পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি। জনসভা করতে অনড় অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। তবে জনসভা নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন কর্মীরা।  

বিগত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জনসভা সফল করতে সভা-সমাবেশ করে আসছে নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি। বুধবার জনসভার মঞ্চ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেও কাজ শুরু করতে পারেনি। ফলে উৎকণ্ঠিত নেতা কর্মীরা বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় ভিড় করছেন। 

বুধবার সকাল থেকেই নগরীর মেহেদীবাগের বাসায় আসতে শুরু করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেখানেই করণীয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ফলে সন্ধ্যা পর্যন্ত জনসভার স্থান নির্ধারণ না হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কর্মীরাও সেখানে ভিড় জমান।  

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমরা অবশ্যই জনসভা করবো। কারণ মানুষের নাগরিক, গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার হরণের রাইট কারও নেই। 

তিনি বলেন, মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষার দায়িত্ব যাদের তারাই যদি বাধাগ্রস্ত করে তা দুঃখজনক। 

এদিকে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মাসুদুল হাসান বাংলানিউজকে জানান, লালদীঘিতে জনসভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেখানে সভা না করার জন্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আমীর খসরু বলেছেন, তাদেরকে বিষয়টি জানানো হয়নি।

জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, আমাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। আমরা লালদীঘিতে জনসভা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। সেখানে অনুমতি না দিলে কোথায় হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেটা আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেব।

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিএনপির ডাকা জনসভা সফল করতে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

বুধবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও অংগসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি এ আহবান জানান।

বিবৃতিতে নোমান বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে আন্দোলন সংগ্রামের সুতিকাগার। চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামেই শহীদ জিয়া শাহাদাত বরণ করেছিলেন।চট্টগ্রামের মানুষের সাথে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।

জানা গেছে, ১৫ মার্চের জনসভায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড.মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত থাকেবন।

বুধবার সন্ধ্যায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো.শাহজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন ফারুক চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা চট্টগ্রাম আসার কথা রয়েছে।

এদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে নরগীর বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নগর বিএনপির নেতারা। তারা জানিয়েছেন, এরই মধ্যে নগরীর ডবলমুরিং ও বন্দর থানা এলাকায় অন্তত ৩০ জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২২৪০ঘণ্টা, মার্চ ১৪, ২০১৮

এমইউ/টিসি

জলপাইয়ের বিচি গলায় আটকে শিশুর মৃত্যু 
বিশ্বে বছরে দেড় মিলিয়ন অপরিণত শিশু জন্মায়
নির্বাচনের পরে আন্দোলনে নামবে পরিবহন শ্রমিকরা
কন্যা জন্ম দেয়ায় স্ত্রীকে তালাক, ৯ দিনের শিশুকে বিক্রি 
৫৬ হাজার বর্গমাইলের খণ্ডচিত্রে মঞ্চায়িত ‘কনডেমড সেল’
বাংলা একাডেমির ৪ পুরস্কার ঘোষণা 
স্কাইপি বন্ধ করে সরকার ঘৃণ্য নজির দেখালো: রিজভী
শীতে সতেজ থাকতে ‘সুগন্ধী ইয়োগা-চা’
জোটে সমঝোতার পর আ’লীগের প্রার্থী তালিকা 
লিও তলস্তয়ের মৃত্যু
ইতিহাসের এই দিনে

লিও তলস্তয়ের মৃত্যু