ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০, ২৩ জিলহজ ১৪৪১

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কন্টেইনার থেকে তেজস্ক্রিয়তাবিহীন পণ্য সরানো হচ্ছে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪১৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭
কন্টেইনার থেকে তেজস্ক্রিয়তাবিহীন পণ্য সরানো হচ্ছে ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম: উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকা সেই কন্টেইনার থেকে তেজস্ক্রিয়তাবিহীন পণ্য সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার পরমাণু শক্তি কমিশনের ৯ সদস্যের দল এ কার্যক্রম শুরু করেন।

কনটেইনার থেকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ সরাতে রোববার কাজ শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। প্রথমদিন তারা কনটেইনারটি পরিদর্শন করে বাইরে থেকে কনটেইনারের যে অংশে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে তা চিহ্নিত করেন।

তবে কোন স্থানে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে তা শনাক্ত করতে সোমবার থেকে কাজ শুরু করে।

মঙ্গলবারও এ কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশীষ পাল। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ঠিক কোন স্থানে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে সেটি শনাক্তে কাজ করছি। মানুষ এবং পরিবেশের যাতে ক্ষতি না হয় সেভাবে বস্তাগুলো সরিয়ে নিচ্ছি।

গত ২২ আগস্ট কনটেইনারবাহী একটি গাড়ি বন্দরের তেজস্ক্রিয় শনাক্তকরণ ফটক পার হওয়ার সময় সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। পরে পরমাণু শক্তি কমিশন এবং মেগাপাের্ট প্রকল্পের যৌথ পরীক্ষায় কনটেইনারে থাকা রাসায়নিক পণ্যে উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় পদার্থ শনাক্ত হয়।

এর আগে প্রাথমিক পরীক্ষায় কনটেইনারের পেছনের অংশে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পাওয়া যায়। যা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬ দশমিক ২৪ মাইক্রোসিয়েভাটর্স (তেজস্ক্রিয়তা থেকে যে বিকিরণ হয় তার একক)। এছাড়া কনটেইনারটিতে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় মৌল পাওয়া গেছে সিজিয়াম ১৩৭।

২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রপ্তানি হওয়া কনটেইনারে প্রথম তেজস্ক্রিয় পদার্থ শনাক্ত হয়েছিল। পুরনো লোহার টুকরোবাহী ওই কন্টেইনারে প্রতি ঘণ্টায় ১০ মাইক্রোসিয়েভাটর্স তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পাওয়া যায়। পরে ইস্পাতের টুকরোটি কন্টেইনার থেকে অপসারণ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০২৫ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭

এমইউ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa