বিজিএমইএ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয় হবে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সংবাদ সম্মেলনে নাছির উদ্দিন চৌধুরীসহ বক্তারা। ছবি: উজ্জ্বল ধর-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

চট্টগ্রাম: বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিজিএমইএ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী।

php glass

তিনি বলেন, এজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রয়োজনীয় অবকাঠানো, দক্ষ ফ্যাকাল্টি নিশ্চিত করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু করবো।  

বুধবার দুপুরে ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নাছির উদ্দিন চৌধুরী। প্রতিষ্ঠানের চার বছর পূর্তি ও প্রথম ব্যাচের পাসিং আউট উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অ্যাপারেল ম্যান্যুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি (এএমটি) ও ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি (এফডিটি) কোর্সের ২৬ শিক্ষার্থীর পাসিং আউট অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (সিবিআইএফটি) থেকে গ্রাজুয়েশন সস্পন্ন করে বর্তমানে তারা চট্টগ্রামের সাতটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নি করছেন। এরই মধ্যে তাদের চাকরি নিশ্চিত হয়েছে। সনদ পাওয়ার পর থেকেই চাকরিতে যোগদান করবেন।

তিনি জানান, ৩৪ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু করে সিবিআইএফটি। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে দুটি কোর্সে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। প্রথম ব্যাচের ২৬ শিক্ষার্থী সফলভাবে তাদের কোর্স সম্পন্ন করেছে। আগামী শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ তাদের হাতে সনদ তুলে দেবেন।

২০০০ সালে ঢাকায় এবং ২০০২ সালে চট্টগ্রামে ফ্যাশন ডিজাইনের ওপর কোর্স চালু করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে পোশাক শিল্পের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৯ সালে। তার বহুবছর পরে এ বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনে বর্তমানে এএমটি ও এফডিটি কোর্স পড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে আরও কোর্স চালু করার ইচ্ছে আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়ার জন্য রাজি আছে। কিন্তু আমরা আমাদের শিক্ষার গুণগত মান ঠিক রেখে তারপর নতুন কোর্স চালু করতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের ইনস্টিটিউট থেকে বের হয়ে ২৬ জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করবেন। তারাই এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে আনবে। তারাই এক্সপার্ট হয়ে উঠবে। ফলে ধীরে ধীরে দেশের বাইরে থেকে এক্সপার্ট আনা বন্ধ হবে। এতে আমাদের বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে। 

কর্মমুখী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাশন ডিজাইনের উপর পড়ালেখা করলেই চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। যা অন্য কোথাও নেই।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় এক হাজার বিদেশি এক্সপার্ট রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। এতে প্রায় চার হাজার বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে। এখন আমাদের দেশের তরুণরা এক্সপার্ট হয়ে উঠছেন। ফলে বিদেশিদের সংখ্যা কমে যাবে। সাশ্রয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিজিএমইএ এর সাবেক সহসভাপতি এরশাদ উল্লাহ, বর্তমান সহসভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, পরিচালক মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ মনসুর, পরিচালনা পরিষদের সদস্য হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এসএম চৌধুরী সেলিম, হাসানুজ্জামান চৌধুরী, ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মো.আবদুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৯ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১৭

এমইউ/টিসি

ছোটপর্দায় আজকের খেলা
গাইবান্ধায় চলছে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট 
নড়াইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু
না’গঞ্জে জাপা নেতা আল জয়নাল গ্রেফতার
শুভ্র-বেগুনি ‘ঘোড়ানিম’ ফুল


নুসরাত হত্যার বিচার যেনো বিশ্বে দৃষ্টান্ত হয়: বাবা মুসা
রাঙ্গুনিয়ার দুর্ঘটনায় ৪ শ্রমিক নিহত
অনশন ভাঙলেন রানা প্লাজার শ্রমিকরা
রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষিরা
দগ্ধ নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ৪ আসামির রিমান্ড