ফজলুল হকের স্মৃতিফলকে হামলাকারিদের বিচার করা হবে

467 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
রাউজানে ভাংচুরের শিকার হওয়া মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এ কে ফজলুল হক চেয়ারম্যানের স্মৃতি ফলক পরিদর্শন করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। রোববার বিকালে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে তারা ঘটনাস্থলে যান। এসময় তারা এ ব্যাপারে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন।

চট্টগ্রাম: রাউজানে ভাংচুরের শিকার হওয়া মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এ কে ফজলুল হক চেয়ারম্যানের স্মৃতি ফলক পরিদর্শন করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

রোববার বিকালে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে তারা ঘটনাস্থলে যান। এসময় তারা এ ব্যাপারে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে গ্রামবাসীর উদ্দেশে চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন আরিফ বলেন, রাউজানের অভিভাবক জননেতা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী রাউজানের সব শহীদ ও মরহুম মুক্তিযোদ্ধার কবর পাকাকরণ এবং স্মৃতি ফলক নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে আমার ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুতসহ কবর পাকাকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে পশ্চিম গুজরার অন্যতম প্রধান ‘শেল্টার হাউজ’ ছিল মরহুম জননেতা এ কে ফজলুল হক চেয়ারম্যানের বাড়ি। রাউজান থানা আওয়ামী লীগে নেতৃত্বদানকারী এ মহান নেতার কবরের স্মৃতি ফলক যারা ভেঙ্গেছে, অচিরেই তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।

এসময় তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে মরহুমের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকীর পূর্বে (৭ জানুয়ারি ’১৫) স্মৃতি ফলক পুণঃস্থাপনের ঘোষণা দেন।

মরহুমের সন্তান শওকত বাঙালি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধবান্ধব সরকারের সময়ে যখন সারা চট্টগ্রামে বধ্যভূমি সংরক্ষণসহ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচিহ্ন ও কবর সংরক্ষণের জন্য আন্দোলন করছি, সে সময় নিজের বাবার স্মৃতি ফলকটিই যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারি নি। এ শুধু আমার লজ্জা নয়, সকল মুক্তিযোদ্ধার লজ্জা।

এসময় ভাংচুরের ঘটনার পর সহযোগিতার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা মো. তৈয়ব উদ্দিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মেম্বার সাইফুল ইসলাম, মেম্বার মো. মফিজ মিয়া, ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ, যুবলীগ নেতা মো. রাশেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. মঞ্জুর হোসাইন, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা সনেট চক্রবর্তী, আসাদুজ্জামান জেবিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোরশেদ আলম বাবলু, মো. রাসেল, হৃদয় হাসান, প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর কমান্ডার ও শিক্ষানুরাগী এ কে ফজলুল হক ছিলেন রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, রাউজান চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি এ মহান মুক্তিযোদ্ধা ইন্তেকাল করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২১৩৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৪, ২০১৫

Nagad
খুলনার তেরখাদায় সন্ত্রাসী জিলু মুন্সি গ্রেফতার
ডাকাতি মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেফতার
পদ্মায় নৌকা ডুবি: সংসারে আর রইল না কেউ উপার্জনের
ইয়াবা আনতে ঢাকা থেকে ট্রাক যায় কক্সবাজার
সবুজ গালিচায় ঢাবি


ঘরোয়া খেলাধুলা চালু করতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রাসেল
আমদানি-রফতানি পণ্যের মান পরীক্ষার ল্যাবে চুরি
খুবির শিক্ষক শামীম আখতার আর নেই
জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন রাহী
ফুলছড়িতে বজ্রপাতে বাবা-ছেলের মৃত্যু