অবৈধ অস্ত্রের অবাধ প্রবেশ চট্টগ্রামে, ভাড়ায়ও মিলছে

709 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: সংগৃহীত

walton
বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে আসছে বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক মরণাস্ত্র। গত এক বছরে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশের হার আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এসব অস্ত্র নগরীতে ঢোকার পর একাধিক হাতবদল হয়ে চলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকা সন্ত্রাসীদের হাতে।

চট্টগ্রাম: বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে আসছে বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক মরণাস্ত্র। গত এক বছরে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশের হার আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এসব অস্ত্র নগরীতে ঢোকার পর একাধিক হাতবদল হয়ে চলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকা সন্ত্রাসীদের হাতে। আবার অস্ত্র সংগ্রহ করে অপরাধীদের কাছে ভাড়াও দেয়া হচ্ছে।

নগরীতে গত প্রায় তিন বছর ধরে অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের জোরালো কোন অভিযান নেই। এ সুযোগে চট্টগ্রাম শহরে অবৈধ অস্ত্রের অবাধ বিস্তার ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন নগর পুলিশও। চলতি সপ্তাহে নগর পুলিশ এ নিয়ে এক দফা জরুরি বৈঠকও করেছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ নিয়ে আমরা আসলেই শংকিত। আমরা যেসব অস্ত্র ধরতে পারছি তা খুবই নগন্য অংশ। এর চেয়ে অনেক বেশি অস্ত্র নগরীতে ঢুকছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে।

তিনি বলেন, এখন তো নগরীতে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সেভাবে চাঁদাবাজি নেই। তাহলে অস্ত্রগুলো কোথায় কি কাজে ব্যবহার হচ্ছে, এগুলোর রুট কোথায় আমরা সেটা তদন্ত করে দেখছি। প্রাথমিকভাবে যেটা পেয়েছি সেটা হচ্ছে, ছিনতাই এবং গ্রামের ডাকাতির কাজে অস্ত্রগুলো ব্যবহার হচ্ছে।

গত ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের নগরীর প্রবেশপথ বাকলিয়া থানার শাহ আমান সেতু দিয়ে অস্ত্র নিয়ে আসার সময় আজিজুল হক ও তার স্ত্রী সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছে দু’টি দেশিয় তৈরি এলজি পাওয়া যায়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে সীতাকুণ্ড থেকে অস্ত্রের ক্রেতা ইমরান হোসেন মানিক এবং পটিয়া থেকে ইয়াকুবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নগরীর প্রবেশপথ আকবর শাহ থানার সিটি গেইট এলাকায় একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে মো.আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া ওরফে রকি নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের তৈরি দু’টি পিস্তল পাওয়া যায়।

এ দু’টি ঘটনার পরই মূলত অস্ত্রের অবাধ বিস্তারের বিষয়ে টনক নড়েছে নগর পুলিশের। সিএমপি কমিশনার নগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং ১৬ থানার ওসিকে অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাকলিয়া থানায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতি মহেশখালীর অস্ত্র তৈরির কারখানা এবং বিক্রির বিষয়ে পুলিশকে বেশকিছু তথ্য দিয়েছে। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় আব্দুর রহমান প্রকাশ সোনা মিয়া (২৬) নামে এক অস্ত্র বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সোনা মিয়া কক্সবাজারের মহেশখালি উপজেলার পূর্ব মাঝের ঢেইল গ্রামের সবুর আহমদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালি উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের পূর্ব মাঝের ঢেইল এলাকায় মৃত আব্বাস উল্লাহর ছেলে আব্দুল মাবুদ ও খলিলুর রহমানের ছেলে ইসহাক মিলে গড়ে তুলেছে বিশাল ‍অস্ত্রের কারখানা। সেখানে অস্ত্র তৈরি, বিক্রি এবং সরবরাহ বড় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হয়। বাকলিয়ায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া স্বামী-স্ত্রী এবং অস্ত্র বিক্রেতা সোনা মিয়া এই সিন্ডিকেটের সদস্য। সিন্ডিকেট বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্ডার নেয় এবং বিকাশের মাধ্যমে অগ্রিম টাকা নেয়। টাকা পুরোপুরি দেয়ার পর নিজেরাই অস্ত্র বহন করে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়।

পুলিশের খাতায় পলাতক অস্ত্র প্রস্তুতকারক মাবুদ ও ইসহাকের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানার দু’টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। মহেশখালী থানার তিনটি ‍মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রমতে, বাকলিয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ইয়াকুব জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, গত দেড় বছরে সে মহেশখালির সিন্ডিকেটের কাছ থেকে ৫০-৬০টি অস্ত্র সংগ্রহ করেছে। কিছু অস্ত্র সীতাকুণ্ডের কয়েকজন সন্ত্রাসীর কাছে বিক্রি করেছে। তবে তার কাছ থেকে বেশিরভাগ অস্ত্র গেছে সন্দ্বীপে জলদস্যুদের কাছে।

বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন বাংলানিউজকে বলেন, কক্সবাজার, বান্দরবানের দিক থেকে যেসব অস্ত্র নগরীতে আসছে তার মূল উৎস হচ্ছে মহেশখালির অস্ত্র কারখানা। অস্ত্রের উৎস, গন্তব্যের বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। এসব তথ্যের সূত্র ধরে আমরা অনুসন্ধান চালাচ্ছি।

সূত্রমতে, আকবর শাহ থানায় গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া ওরফে রকি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, নগরীর জিইসি মোড় ও ওমরগণি এমইএস কলেজকেন্দ্রিক ছাত্রলীগ নেতা নামধারী আব্দুর রহিম শামীম নোয়াখালি থেকে বিদেশি পিস্তল দু’টি সংগ্রহ করছিল। উপকূলীয় এলাকায় হাতিয়ায় তৈরি এসব অস্ত্র নোয়াখালির এক বিক্রেতা তাকে দিয়েছিল শামীমকে দেয়ার জন্য।

আকবর শাহ থানার ওসি আব্দুল মজিদ এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বাংলানিউজকে বলেন, রকির কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা আব্দুর রহিম শামীমকে এ মামলায় আসামি করেছি। শামীম জিইসি মোড়কেন্দ্রিক সন্ত্রাসী বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে এসব বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আমরা রকিকে রিমাণ্ডের আবেদন জানিয়েছি। রোববার রিমাণ্ড আবেদনের শুনানি হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম শামীম নগর যুবলীগের এক সদস্য যিনি এমইএস কলেজ ছাত্র সংসদের শীর্ষ পদে আছেন তার কর্মী। খুলশি-জিইসি মোড়কেন্দ্রিক যুবলীগ নেতা নামধারী দিদারের অনুসারী ও ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেও পরিচিতি আছে তার। গত ২৩ নভেম্বর নগর যুবলীগের যুব জাগরণ সমাবেশে মারামারি করে আলোচনায় আসে শামীম।

নগরীর চান্দগাঁও থানায় চলতি বছরের শুরুতে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে আহত সন্ত্রাসী টেম্পুইয়্যার সহযোগী ক্যাডার হিসেবেও পরিচিতি আছে শামীমের। মূলত ঢেবার পাড়, খুলশি, জিইসি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় হুন্ডির টাকা ছিনতাই, বিভিন্ন বেসরকারি অফিসে চাঁদাবাজি করে শামীম। তার বিরুদ্ধে খুলশী, আকবর শাহ, পাঁচলাইশ ও চান্দগাঁও থানায় কমপক্ষে ৮টি মামলা আছে।

গত বছরের শেষদিকে আধিপত্য নিয়ে নগরীর গোলপাহাড় মোড়ে সৃষ্ট সংঘর্ষের নেতৃত্বও দিয়েছিল শামীম। এসময় অবৈধ অস্ত্রের প্রকাশ্য ব্যবহার হয়েছিল। তবে শামীমের হাতে থাকা অস্ত্র পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। গত নভেম্বরে চাঁদার দাবিতে জিইসি মোড়ে একটি বহুতল ভবনে কেনা ফ্ল্যাটে এক ব্যবসায়িকে উঠতে বাধা দেয় শামীম ও তার অনুসারীরা। পরে উর্দ্ধতন কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হস্তক্ষেপ করে ওই ব্যবসায়িকে ফ্ল্যাটে তুলতে হয়।

আকবর শাহ থানার ওসি আব্দুল মজিদ বাংলানিউজকে বলেন, অস্ত্র মামলার আসামি হিসেবে শামীমকে গ্রেপ্তারে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি। রকিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শামীমের বিষয়ে আরও তথ্য বের হবে। শামীমের অস্ত্রভান্ডারের সন্ধানেও অভিযান চলবে।

সূত্রমতে, টেম্পুইয়ার সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলি এবং নগরীর গোলপাহাড় এলাকায় শামীমের নেতৃত্বে সংঘর্ষের পর পুলিশ চান্দগাঁও এলাকায় শাহেদ ও দেলোয়ার নামে দু’জনের কাছে তিনটি বিদেশি পিস্তল থাকার তথ্য পেয়েছিল। কিন্তু গত এক বছরেও পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করতে পারেনি।

সূত্রমতে, ২০১৩ সালের ৩ মে নগরীর বাকলিয়া থানার মাষ্টারপুল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে সংঘর্ষে ইফতেখার ইমন (১৮) নামে এক যুবক নিহত হন। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা তদন্তে পুলিশ তথ্য পেয়েছে, সংঘর্ষের সময় তিনটি বিদেশি অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে। এসব অস্ত্র ছিল বাকলিয়ার যুবলীগ ক্যাডার রানা’র। তার বাবা জাফর মাষ্টার স্থানীয় বিএনপি নেতা। রানা’র অস্ত্রগুলোও পুলিশ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।

২০১৩ সালের আগস্টে নাসিমন ভবনে নগর বিএনপির কার্যালয়ে দু’গ্রুপে সংঘর্ষের সময় যুবদলের এক ক্যাডারের হাতে অস্ত্র থাকার ছবিসহ তথ্য আছে কোতয়ালি থানা পুলিশের কাছে। ওই অস্ত্র উদ্ধারে একাধিক অভিযান চললেও তা উদ্ধার হয়নি। গ্রেপ্তার হয়নি ওই যুবদল ক্যাডারও।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগরীর একটি থানার ওসি বাংলানিউজকে বলেন, অনেকের কাছে অস্ত্র আছে জানার পরও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারিনা। কারণ সে-তো আর অস্ত্রগুলো পকেটে নিয়ে ঘোরেনা। অবৈধ অস্ত্রের সন্ধানে সন্দেহভাজন কাউকে ধরলেই সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে তদবির শুরু হয়। তদবিরের চাপে এ প্রক্রিয়া আর বেশিদূর এগোয় না। এসব কারণেই মূলত নগরীর বিভিন্ন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাতে আগ্রহী নন।

নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, নগরীতে অস্ত্র ভাড়ায় পাওয়া যায়। একই অস্ত্র চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, কখনও যুবদলের সংঘর্ষে, কখনও রাজনৈতিক সহিংসতায়, আবার কখনও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ব্যবহার হচ্ছে। বারবার হাত বদলের কারণে অস্ত্রগুলো উদ্ধার হচ্ছেনা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা জনৈক আলমের কাছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র আছে বলে তথ্য আছে পুলিশের কাছে। এসব অস্ত্র ভাড়ায় দেয় আলম।

সূত্র জানায়, গত ২১ জানুয়ারি সিআরবি এলাকায় অস্ত্র বিক্রির সময় রাশেদুল ইসলাম রুবেলকে আমেরিকার তৈরি ৭.৬৫ বোরের পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজসহ গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ২০ জুলাই রাতে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গলমোড়া এলাকা থেকে একটি এসএমজি, দুটি ম্যাগজিন ও গুলি উদ্ধার করে র‌্যাব। ১০ সেপ্টেম্বর শাহ আমানত সেতু এলাকায় আবদুর রহমান নামে এক ব্যক্তির শরীর তল্লাশি করে পাওয়া যায় দুটি এলজি। ২২ সেপ্টেম্বর বায়েজিদ থানা পুলিশ আমেরিকার তৈরি ৭.৬৫ বোরের পিস্তলসহ মনজুর আলম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। ১২ অক্টোবর র‌্যাব রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা বড় ঠাকুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে একে-৪৭ রাইফেলসহ দুই অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। ৮ নভেম্বর দুটি এলজিসহ কর্ণফুলী থানায় গ্রেফতার হন আবুল কাশেম নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ী।  

নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, চেকপোস্টে যেসব অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে সবই কাকতালিয়ভাবে। সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পুলিশের কাছে নেই। তবে নগর জুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালালে অস্ত্রের অবাধ ব্যবহার ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৮৫৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০২, ২০১৫

Nagad
সাতক্ষীরা সীমান্তে ৫ স্বর্ণের বারসহ নারী আটক
পঞ্চগড়ে মাছ শিকারের ধুম
মুখোশের আড়ালে যতই মুখ লুকিয়ে রাখুক, ধরা পড়তেই হবে: কাদের
শিল্প গান প্রচার করবে রেডিও ক্যাপিটাল
আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রেলবিভাগে শ্রমিক ছাঁটাই


সাহেদ যেমন তার সরকারও তেমন: রিজভী
কিন্ডারগার্টেন মালিকদের সহজ শর্তে ঋণের দাবিতে মানববন্ধন
ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার উপরে, ধরলায় সামান্য হ্রাস
নিজেদের দোষেই শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে বার্সার: সুয়ারেস
কাঁচা রাস্তায় ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ