পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই বুধবার খুলছে চবির শাহ আমানত হল

510 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
কোন পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই খুলে দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ ছাত্র হল শাহ আমানত। বুধবার থেকে হলে বৈধ শিক্ষার্থীরা উঠতে পারবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি ছাত্রলীগ শিবিরের সংঘর্ষের পর থেকে হলটি বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম : কোন পূর্ব ঘোষনা  ছাড়াই খুলে দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ ছাত্র হল শাহ আমানত।

বুধবার থেকে হলে বৈধ শিক্ষার্থীরা উঠতে পারবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।  চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি ছাত্রলীগ শিবিরের সংঘর্ষের পর থেকে হলটি বন্ধ রয়েছে।

এর আগে  হলের সকল আসন বাতিল করে নতুনভাবে বরাদ্দের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।  এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে অবরোধও পালন করেছে ছাত্রশিবির। অবরোধ চলাকালে ১০ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফতেপুর ছড়ারকুল এলাকায় শিক্ষকবাহী বাসে ককটেল হামলায় আহত হয় ১২ শিক্ষক সহ ১৭ জন।

নতুন আবেদনের সাক্ষাতকার গ্রহণ না করেই অনেকটা গোপনে হলটি খুলে দেওয়া হচ্ছে।

কোন ধরণের পূর্ব ঘোষণায় হল খুলে দেওয়ার ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।  হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উঠতে পারবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

শাহ আমানত হলের প্রভোষ্ট অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনসুর বাংলানিউজকে জানান,হল বরাদ্দ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর খুলে দেয়া হচ্ছে। প্রথম দিনে পূর্বের বৈধ সিটধারী যাদের ছাত্রত্ব আছে তারা উঠতে পারবে।   নভেম্বরের পর থেকে নতুন আবেদনকারীদের আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে।

পূর্ব ঘোষনা ছাড়া গোপনে কেন হল খুলে দিচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, হল যে খোলা হবে তা একাধিকবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ছাত্রলীগের একাংশ চুজ ফ্রেন্ড উইথ কেয়ার(সিএফসি) ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগকে হলে উঠানোর জন্য শাহ আমানত হলটি খুলে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ছাত্রলীগের এ গ্রুপটি ২০০ জনের একটি নামের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়েছিল।

দীর্ঘদিন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ভার্সিটি এক্সপ্রেস(ভিএক্স) ও সিএফসি এর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসের বাইরে ছিল সিএফসি গ্রুপের নেতাকর্মীরা।  বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকার জন্য বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বারবার অবরোধ করে ক্যাম্পাসকে অনেকটাই অচল করে রেখেছিল তারা।

ছাত্রলীগের এমন কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে বিরোধ মেটাতে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ১৫ নভেম্বর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় দুই গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক হয়। বৈঠকে উভয় গ্রুপ ক্যাম্পাসে সহাবস্থান করবে বলে জানান।  রাজনৈতিক নেতাদের চাপে ক্যাম্পাসে এ গ্রুপটিকে স্থায়ী করার জন্যই গোপনে হল খোলা হচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে হল বরাদ্দ কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বাংলাদেশ সময়: ১০১৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৮, ২০১৪

Nagad
শেষ শ্রদ্ধা শেষে সিমেট্রিতে এন্ড্রু কিশোরের কফিন
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ময়ূরের দুই ইঞ্জিন ড্রাইভার গ্রেফতার
স্বাস্থ্য সংকট হ্রাসে ‘ডাটা বিপ্লব’
এন্ড্রু কিশোরের শেষ যাত্রায় জায়েদ খান
মাশরাফির ছোট ভাই সেজারেরও করোনা নেগেটিভ


খনন হবে সাঙ্গু-চাঁদখালী নদী, সোনাইছড়ি বেড়িবাঁধে সংস্কার
র‍্যাঙ্কিংয়েও বড় লাফ হোল্ডারের
সাহেদের যত প্রতারণা
ইউআইটিএস ও গুলশান ক্লিনিকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক
সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনার পানি, প্লাবিত নতুন এলাকা