শ্রদ্ধা-ভালবাসায় চিরনিদ্রায় সুলতানুল কবির

471 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টফোর.কম

walton
দল, মত নির্বিশেষে হাজারো মানুষের ভালবাসা আর ফুলেল শ্রদ্ধায় চিরবিদায় নিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সুলতানুল কবির চৌধুরী। নগরীর গরীবউল্লাহ শাহ মাজারের কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামে দলকে সংগঠিত করা এই নেতা।

চট্টগ্রাম: দল, মত নির্বিশেষে হাজারো মানুষের ভালবাসা আর ফুলেল শ্রদ্ধায় চিরবিদায় নিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সুলতানুল কবির চৌধুরী। নগরীর গরীবউল্লাহ শাহ মাজারের কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামে দলকে সংগঠিত করা এই নেতা।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ির পাশে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সুলতানুল কবিরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জানাজায় আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

এরপর তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় নগরীর লালদিঘী ময়দানে। সেখানে বাদ জোহর দুপুর ২টার দিকে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

লালদিঘী ময়দানে হাজার হাজার নেতাকর্মী, অনুসারী, সাধারণ জনতার উপস্থিতিতে সুলতানুল কবিরের মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এরপর আবার দু’মন্ত্রী আলাদাভাবে নিজেদের পক্ষে পুষ্পস্তবক দেন।

সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম দলীয়ভাবে পুষ্পস্তবক দেন।

যুবলীগের পক্ষে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

মুক্তিযোদ্ধা সুলতানুল কবির চৌধুরীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেয়া হয় প্রয়াতের কফিন।

এছাড়াও জানাজায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রামের মেয়র এম মনজুর আলম, সিডিএ চেয়ারম্যন আবদুচ ছালাম, বিএনপি নেতা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, বোয়ালখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক, সীতাকুণ্ডের উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন, বাঁশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর কবির চৌধুরী প্রমুখ।

সোমবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকার গুলশানে নিজ বাসায় সুলতানুল কবির চৌধুরী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে রেখে গেছেন।



সত্তরের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা সুলতানুল কবির চৌধুরী চট্টগ্রামের সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবেও তিনি একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে যারা ছাত্রলীগ-যুবলীগকে সংগঠিত করেছেন সুলতানুল কবির চৌধুরী তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৯১ সালে তিনি বাঁশখালী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৮ ঘণ্টা, জুলাই ০১,২০১৪

ইবনে খালদুনের জন্ম, নেহরুর প্রয়াণ
খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মান্না
রংপুরে মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু
করোনায় ঢাকায় আইনজীবীর মৃত্যু
রাজধানীতে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ


ডা. জাফরুল্লাহর জন্য ফল পাঠালেন খালেদা জিয়া
করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাউন্সিলর মাজহারের মৃত্যু
শিবগঞ্জে বজ্রপাতে গৃহিণীর মৃত্যু
ধান মাড়াই মেশিনে চাপা পড়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
নোবেলের বাবা মোজাফফর নান্নু করোনা আক্রান্ত