সোনা চোরাচালান

পুলিশের বাদ দেওয়া তিন আসামিও অভিযুক্ত

327 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ফাইল ফটো

walton
৪৬ কোটি টাকার সোনা চোরাচালানের একটি মামলার অভিযোগপত্রে পুলিশের বাদ দেওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে আদালত ১৭ জুলাই এ মামলার অভিযোগ গঠনের সময় নির্ধারণ করেছেন।

চট্টগ্রাম: ৪৬ কোটি টাকার সোনা চোরাচালানের একটি মামলার অভিযোগপত্রে পুলিশের বাদ দেওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে আদালত ১৭ জুলাই এ মামলার অভিযোগ গঠনের সময় নির্ধারণ করেছেন।

রোববার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমান অভিযোগপত্রভুক্ত সাতজন এবং বাদ পড়া তিনজনসহ মোট ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট মো.ফখরুদ্দিন চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়ায় আমি আদালতে নারাজি আবেদন দিয়েছিলাম। আদালত নারাজি মঞ্জুর করে ১৭ জুলাই অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ সকাল ১১টা ১২ মিনিটে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০২৬ ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে যাত্রীর সিটের নিচ থেকে কাস্টম কর্মকর্তারা ৯২৩টি সোনার বার উদ্ধার করেন। প্রতিটি ১০ তোলা ওজনের বারগুলোর মূল্য ৪৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বি এম আবদুল্লাহ বাদী হয়ে নগরীর পতেঙ্গা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে ১২ মে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পতেঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ আলমগীর। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- ইমতিয়াজ খান, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, পিয়ারুল ইসলাম, নাহিদ তালুকদার, মহিন উদ্দিন, মনসুর ইসলাম ও মোহাম্মদ ইয়াকুব।

অভিযোগপত্রে তিনজনকে বাদ দেওয়া হয়। তারা হলেন, মোহাম্মদ রহিম সিকদার (৩০), মোহাম্মদ ফজলুল হক প্রকাশ ফয়সাল (৩৪) এবং মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান প্রকাশ হাসান মাহমুদ (২৪)।

অভিযোপত্রে উল্লেখ আছে, আসামি শফিকের সিটের গদির নিচে ৮২টি, মনসুরের সিটের গদির নিচে ৮৯টি, নাহিদের সিটের গদির নিচে ৮৭টি, পিয়ারুলের সিটের গদির নিচে ৮৬টি, ইমতিয়াজের সিটের গদির নিচে ৮৫টি, ইয়াকুবের সিটের গদির নিচে ৯২টি, মহিনের সিটের গদির নিচে ৯৩টি এবং খালি সিটের নিচে ২৯১টি মিলে ৯০৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

পরে নাহিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরও ১৮টি স্বর্ণের বারসহ মোট ৯২৩টি বার উদ্ধার করা হয়। 

তিনজনের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তাদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয় অভিযোগপত্রে।

এতে উল্লেখ আছে, তিনজন ঘটনার সময় ওই ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম থেকে টিকেট সংগ্রহ করেছিলেন। বিমানবন্দরে গিয়ে ফ্লাইটে উঠার জন্য বোর্ডিং পাসও সংগ্রহ করেন তারা। পুলিশ এসময় সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করে।

অভিযোগপত্রে ২২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (বি) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। 

তিনজন আসামিকে বাদ দেওয়ায় গত ৫ জুন মহানগর পিপি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা, জুন ২৯,২০১৪

ঈদে তেঁতুলিয়ায় সব বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ, কড়া অবস্থানে পুলিশ
নগরবাসীকে মেয়র আরিফের ঈদ শুভেচ্ছা
করোনা আতঙ্ক নিয়েই ঘরে ফিরছে মানুষ
সড়কে দায়িত্ব পালনে গর্বিত, আফসোস নেই ট্রাফিক সদস্যদের
দেশবাসীকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা সাজেদা চৌধুরীর


‘চির উন্নত শির...’
আজ ১২১তম নজরুলজয়ন্তী

‘চির উন্নত শির...’

সাবেক এমপি মকবুলের মৃত্যুতে তাপসের শোক
হাসপাতাল কর্মচারীদের জন্য আতিকের ঈদ উপহার
সিলেট আওয়ামী পরিবারে করোনার হানা
হাজি মকবুলের মৃত্যুতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর শোক