চুরি আড়াল করতে নম্বরপ্লেটে ‘প্রেস’ স্টিকার

559 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
নম্বরপ্লেটে ‘প্রেস’ কিংবা এএফআর লেখা স্টিকার সেঁটে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার কৌশল নিয়েছে সংঘবদ্ধ একটি মোটর সাইকেল চোর চক্র।

চট্টগ্রাম: নম্বরপ্লেটে ‘প্রেস’ কিংবা এএফআর লেখা স্টিকার সেঁটে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার কৌশল নিয়েছে সংঘবদ্ধ একটি মোটর সাইকেল চোর চক্র।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটর সাইকেল চোর চক্রের চার সদস্যকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পেয়েছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার বাবুল আক্তার বাংলানিউজকে বলেন, মোটর সাইকেল চুরির পর প্রথমে তাদের কাজ হল অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থানে সেটিকে নিয়ে যাওয়া। এরপর নম্বরপ্লেটে প্রেস কিংবা এএফআর লেখা স্টিকার লাগানো হয়। পুলিশের চোখ এড়াতে সাধারণত তারা প্রেস স্টিকার বেশি ব্যবহার করে।

আটক চারজন হলেন, আসাদুল্লাহ প্রকাশ আসাদ (৩০), নূরুল ইসলাম প্রকাশ সুলতান (২৮), আনোয়ার (৩০) এবং কাইয়ূম (২৬)। এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি মোটর সাইকেল, ৮টি চোরাই মোটর সাইকেলের চাবি এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

পরে তাদের নগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে এনে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) সন্তোষ কুমার চাকমা বাংলানিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর ও আর নিজাম রোডে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সামনে থেকে একটি চোরাই মোটর সাইকেলসহ আসাদ ও সুলতানকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্টেশন রোডের হোটেল গেটওয়ে থেকে আনোয়ার এবং দেওয়ানহাট থেকে কাইয়ূমকে আটক করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে আটক চোরচক্রের সদস্যরা জানিয়েছে, তাদের চক্রের মূল নেতা জাবেদ ও সুমন। এ চক্রে রিয়াজ, ঢাকাইয়া নজরুল, সোহেল, জুয়েলসহ আরও কয়েকজন আছে। জাবেদ ও সুমন চুরির জন্য তাদের এলাকা ভাগ করে দেয়। প্রতিটি মোটর সাইকেল চুরির বিনিময়ে চক্রের সদস্যরা ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পায়।

জিজ্ঞাসাবাদে নূরুল ইসলাম জানান, তিনি আগে ঢাকার বংশালে মায়ের দোয়া অটোমোবাইল ওয়ার্কশপে কাজ করতেন এবং পাশাপাশি মোটর সাইকেল চুরির সঙ্গেও জড়িত। বছর তিনেক আগে তিনি চট্টগ্রামে এসে জাবেদ ও সুমনের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি একবার মাদক মামলায় জেল খাটলেও মোটর সাইকেল চুরির ঘটনায় এবারই প্রথম আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে আনোয়ার জানান, মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটর সাইকেল চোর চক্রে যোগ দেন তিনি। আর কাইয়ূম স্টেশন রোডে পুরাতন মোবাইল বিক্রি করতেন। আনোয়ার ও কাইয়ূম মূলত চুরির পর মোটর সাইকেল নির্দিষ্ট জায়গায় দিয়ে আসার কাজটি করতেন। সীতাকুণ্ডের কুমিরার নবী গ্যারেজের মালিক নূরুন্নবী চৌধুরীর কাছেও চোরাই মোটর সাইকেল সরবরাহ করতেন তারা।

এস আই সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, আটক হওয়া চোর সদস্যরা মোটর সাইকেল চুরিতে খুবই পারদর্শী। মোটর সাইকেল লক থাকলেও তাদের কোনো সমস্যা হয় না। তাদের কাছে থাকা চাবি দিয়ে কিংবা লক ভেঙ্গে নিমেষেই তারা মোটর সাইকেল হাওয়া করে দিতে পারে।

আটক চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, চোর চক্রের বাকি সদস্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৮ ঘণ্টা, জুন ২৮,২০১৪

সিআরপিকে ১০ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
তামাদির বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা চেয়ে নোটিশ
বিএনপি নেতার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক
আইপিএল আয়োজন করতে চায় আরব আমিরাত
চার কার্যদিবস পর সূচক বাড়লো পুঁজিবাজারে


পেশা পরিচালনা করতে পারবেন গাইবান্ধার সেই ১৭ আইনজীবী
করোনায় মারা গেলেন সাংবাদিক মোনায়েম খান
পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
ওষুধের বাজার হাজারী গলিতে ৪ ম্যাজিস্ট্রেটের সাঁড়াশি অভিযান
না’গঞ্জে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৩ হাজার, মৃত্যু ৮৫