আইন ভাঙল কোস্টগার্ড !

1066 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের পর কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের পর কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, স্থলভাগে কোস্টগার্ড অভিযানের পর শাড়ি উদ্ধারের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়নি। অভিযানের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে থানায় কোন মামলা বা জিডিও করা হয়নি।

শুক্রবার দুপুরে মনসুরাবাদ কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাকসহ ৪১টি কার্টনভর্তি দু’হাজার ৫০টি শাড়ি উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। তবে এ সময় কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানায় কোস্টগার্ড।

এ ঘটনায় পুলিশের অভিযোগ, শনিবার নগর পুলিশের পক্ষ থেকে কোস্টগার্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এরপর কোস্টগার্ডের শীর্ষ পর্যায় থেকে পুলিশকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সাগরপাড়ে এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং খালে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত কোস্টগার্ড অভিযান চালাতে পারে। এরপর অভিযান চালাতে হলে পুলিশকে অবগত করতে হয় অথবা যৌথভাবে অভিযান চালাতে হয়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (পশ্চিম) এস এম তানভির আরাফাত বাংলানিউজকে বলেন, নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের পর যেকোনো এলাকায় পুলিশ ব্যতীত অন্য কোনো সংস্থা অভিযান চালাতে হলে পুলিশকে অবগত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোস্টগার্ড স্থলভাগে এসে অভিযান চালালেও তাদের পক্ষ থেকে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। এ সময় অভিযানের পর কাউকে আটক করা হয়েছে কি-না, তারা আদৌ কি কি উদ্ধার করেছে এ বিষয়েও থানায় এসে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

কোস্টগার্ডের অভিযানে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা লে. কমান্ডার রাজিবুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে সাগর উপকূলে শাড়িগুলো খালাস হয়। আমরা সেখানে ধাওয়া দেওয়ার পর তারা নগরীর মনসুরাবাদ এলাকায় চলে আসে। আমরাও তাদের ধাওয়া করে মনসুরাবাদ এলাকায় আসি। টানা অভিযান হওয়ায় পুলিশকে জানানো সম্ভব হয়নি।

ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে লে. কমান্ডার রাজিবুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আমরা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে শাড়ি ও ট্রাক হস্তান্তর করেছি। এখন কাস্টমস মামলা করার জন্য বললে অবশ্যই মামলা করবো।

কোস্টগার্ডের পূর্ব জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন শহীদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, পুলিশের সঙ্গে আমাদের বোঝাপোড়া ভালো। আমরা সব সময় পুলিশকে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেই।

তিনি বলেন, শুক্রবার ভারতীয় শাড়ি উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। কেন এ ঘটনা ঘটল আমরা তদন্ত করে দেখছি।

তাছাড়া শাড়িগুলোর মালিক পেলে এবং বৈধ কাগজপত্র থাকলে আর মামলার প্রয়োজন হবে না বলেও জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৪০৩ ঘণ্টা, জুন ২৮, ২০১৪

ঈদে তেঁতুলিয়ায় সব বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ, কড়া অবস্থানে পুলিশ
নগরবাসীকে মেয়র আরিফের ঈদ শুভেচ্ছা
করোনা আতঙ্ক নিয়েই ঘরে ফিরছে মানুষ
সড়কে দায়িত্ব পালনে গর্বিত, আফসোস নেই ট্রাফিক সদস্যদের
দেশবাসীকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা সাজেদা চৌধুরীর


‘চির উন্নত শির...’
আজ ১২১তম নজরুলজয়ন্তী

‘চির উন্নত শির...’

সাবেক এমপি মকবুলের মৃত্যুতে তাপসের শোক
হাসপাতাল কর্মচারীদের জন্য আতিকের ঈদ উপহার
সিলেট আওয়ামী পরিবারে করোনার হানা
হাজি মকবুলের মৃত্যুতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর শোক