php glass

পাহাড়ে অবৈধ গ্যাস, বিদ্যুৎ পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নের সিদ্ধান্ত

454 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
নগরীর ৩০টি পাহাড়কে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১১টি পাহাড়ে ৬৬৬টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। এসব পরিবারের অবৈধ বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম: নগরীর ৩০টি পাহাড়কে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১১টি পাহাড়ে ৬৬৬টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। এসব পরিবারের অবৈধ বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার বিকেলে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ১৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস. এম আবদুল কাদের, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা কামরুল আমিন, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান পান্না, কর্নেল রেজাউর রহমান খানসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নগরীর ১১টি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী ৬৬৬টি পরিবারের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পুর্নবাসন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (সার্বিক) প্রধান করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ বলেন, কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাহাড়ে যারা অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করছে তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেরও নির্দেশনা রয়েছে।

নগরীর একে খান মালিকানাধীন পাহাড়ে ১৮৬ পরিবার, ইস্পাহানি পাহাড়ের দক্ষিণ পাশে হারুন খানের পাহাড় ও বায়তুন আমান সোসাইটির কাছে পাহাড়ে ৫টি, কৈবল্যধাম বিশ্ব কলোনি পাহাড়ে (পানির ট্যাংক) ২৭টি, লেকসিটি আবাসিক এলাকার পাহাড়ে ১২টি, আকবর শাহ আবাসিক এলাকা পাহাড়ে ২২টি, পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে সিটি কর্পোরেশন পাহাড়ে ১১টি, ফয়েজ লেক আবাসিক এলাকার কাছে পাহাড়ে ৯টি, ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট একাডেমির উত্তর পাশে মীর মোহাম্মদ হাসানের মালিকানাধীন পাহাড়ে ৩৮টি, নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা সংলগ্ন পাহাড়ে ৩টি, জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি সংলগ্ন পাহাড়ে ৩৩টি ও মতিঝর্ণা ও বাটালি হিল পাহাড়ে ৩২০টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১১ জুন পাহাড় ধসে ১২৭ জন মারা যায়। এর পর পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। ওই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনেও পাহাড় ধস রোধে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে ৩৬ দফা সুপারিশ করা হয়েছিল। সাতবছর পার হলেও সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪০ ঘণ্টা, জুন ০৮, ২০১৪

টাঙ্গাইল-ভূঞাপুরে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির সঙ্গে কাজ করবে হু
চট্টগ্রামে যানজট বন্দরের কারণে নয়: বন্দর চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ সিরিজে শ্রীলঙ্কা দলে ডিকভেলা-ধনঞ্জয়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ


শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লো টাইগাররা
মানিকগঞ্জে যমুনার পানি বিপদসীমার ওপরে
‘নেত্রীকে মুক্ত করে ঘরে ফিরবো’
এবার প্রেমিকার সন্তানের বাবা হলেন অর্জুন
‘যেদিন ছেলের আত্মা শান্তি পাবে সেদিনই শান্ত হবো’