php glass

ফিরে আসার খবরে নাবিকদের পরিবারে স্বস্তি

562 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
সোমালিয় জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে বাংলাদেশি সাত নাবিক মুক্তি পাবার খবরে স্বস্তি এসেছে তাদের পরিবারে। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর প্রতিক্ষার পর এখন ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।

চট্টগ্রাম: সোমালিয় জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে বাংলাদেশি সাত নাবিক মুক্তি পাবার খবরে স্বস্তি এসেছে তাদের পরিবারে। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর প্রতিক্ষার পর এখন ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।

সোমিলয়া উপকূলে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার পর থেকে সরকারের বিভিন্ন দফতরে ধর্ণা দিতে দিতে ক্লান্ত পরিবারের সদস্যরা যখন ফেরার আশা ছেড়ে দিয়েছিল ঠিক তখনই মুক্তির খবর পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত নাবিক পরিবারের সদস্যরা। 

২০১০ সালের ২৬ নভেম্বর দুবাই থেকে কেনিয়া যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়া উপকূলে মালয়েশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ আলবেদোর ২২ নাবিকের সঙ্গে জলদস্যুদের কবলে পড়ে বাংলাদেশি সাত নাবিক।

তারা হলেন- সাতক্ষীরার গোলাম মোস্তফা, হাবিবুর রহমান, আবুল কাশেম সরকার ও নুরুল হক, চাঁদপুরের লিমন সরকার, চট্টগ্রামের আমিনুল ইসলাম ও জাকির হোসাইন।
ctg_pux
রোববার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় আমিনুল ও জাকিরের বাড়ি গিয়ে দেখা গেছে, তাদের ফিরে আসার আনন্দে উদ্বলিত পরিবারের সদস্যরা।

আমিনুলের মা রোকসানা আক্তার বলেন, সরকারের বিভিন্ন দফতরে ধর্ণা দিয়েছি। কোন ধরণের আশ্বাস পাইনি। ফলে ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম। এরমধ্যেই ছেলে ফোন করে জানালো তারা মুক্তি পেয়েছে।

তিনি জানান, গত শুক্রবার রাতে পরিবারের মোবাইলে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে মিসকল আসে। ছোট ছেলে বিষয়টি তাকে জানালে তিনি কল করতে বলেন।

কল করার পর ওপার থেকে আমিনুল তার পরিচয় ‍দিয়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পাওয়ার খবর দেয়।

তিনি বলেন, আমার ছেলের কণ্ঠ শোনার পর আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি। ওপার থেকে আমার ছেলেও কাঁদতে থাকে। এসময় সে বলে অনেক কেঁদেছেন, আর কাইন্দেন না। আমরা ভালো আছি। আমাদের জন্য কোন চিন্তা করবেন না।
ctg_pux_1
জাকিরের বাবা আবুল কালাম বলেন, সন্তান ফিরে আসবে সে আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। পরিবারের সবাই তার চিন্তায় থাকতো। তার ফিরে আসার খবরে পরিবারের সদস্যরা আবার যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমার সন্তানসহ সাত নাবিকের মুক্তির জন্য আমরা অনেক জায়গায় গিয়েছি। সরকারি বিভিন্ন দফতরেও ধর্ণা দিয়েছি। কিন্তু কোন ধরণের আশ্বাস পাইনি।

চট্টগ্রামের ম্যানিং এজেন্ট এভারশিয়ার মেরিন সার্ভিসেস কোম্পানির মাধ্যমে ২০১০ সালের জুলাই মাসে ওই জাহাজে যোগ দেন সাত বাংলাদেশি সাত নাবিক। ২০১২ সালে দুই দফা চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে জিম্মি নাবিকদের মুক্তি দাবি জানান স্বজনরা।

বাংলাদেশ সময়:২০৩৭ঘণ্টা, জুন ০৮, ২০১৪

শাহবাগ ছেড়েছেন আন্দোলনকারীরা
মৎস্য সম্পদে ঘাটতি নয়, উদ্বৃত্ত থাকবে: খসরু
দালাইলামার জন্মদিন: ভারতে ঢুকে শাসিয়ে গেলো চীনা সৈন্যরা
 মেসি ফুটবলের আদর্শ: গ্রিজম্যান
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে খালেদার মুক্তির বিকল্প নেই


তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচলে বাধা
‘গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার’
কুমিল্লা বোর্ডের ৩ কলেজে পাস করেনি কেউ-ই
লাল কার্ড বাতিল করতে মেসি-আর্জেন্টিনার আপিল
আয়-ব্যয় নির্বাহ করতে না পারলে পৌরসভা থাকবে না: তাজুল