php glass

কয়েদির মৃত্যু

জেল সুপার-জেলারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

566 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: ফাইল ফটো

walton
জেলহাজতে জাকির হোসেন (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলারসহ ৯জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

চট্টগ্রাম: জেলহাজতে জাকির হোসেন (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলারসহ ৯জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

রোববার সকালে জাকিরের ছোট ভাই ইয়াকুব কায়সার বাদি হয়ে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মশিউর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন। আদালত এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, জেলহাজতে পরস্পরের যোগসাজশে নির্যাতনের মাধ্যমে জাকিরকে হত্যার অভিযোগে দন্ডবিধির ৩০২, ২০১, ২০৩, ২০৪/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলার এজাহারে আনা অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্ত ৯ জন হল, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নেছার আহমেদ মুকুল, কারা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র জেল সুপার মো. ছগীর মিয়া, সুবেদার আনজু মিয়া ও হুমায়ন কবির, প্রধান কারারক্ষী মোহাম্মদ হোসেন ও আব্দুর রশিদ, কারারক্ষী মো.আলমগীর ও জিয়াবুল ইসলাম।

একই মামলায় ঘটনার সময় দায়িত্বরত ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ৩ জুন রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম কারা হাসপাতালের তৃতীয় তলায় সিঁড়ির রেলিংয়ে মো. জাকির হোসেন (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়। কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, জাকির গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

জাকির হোসেন কর্ণফুলী থানার একটি অপরহণ মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত। তার কয়েদি নম্বর ৮৩৮৫/এ।

তবে শুরু থেকেই তার পরিবার অভিযোগ করে আসছে, জাকির আত্মহত্যা করেনি। তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দু’জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দু’জন প্রধান কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দু’জন সুবেদারকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কারারক্ষী দু’জন হলেন, জিয়াবুল ইসলাম ও মো.আলমগীর। প্রধান কারারক্ষীরা হলেন, মোহাম্মদ হোসান এবং আব্দুর রশিদ।

স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া দুজন হলেন, সুবেদার আনজু মিয়া এবং হুমায়ন কবির।

এছাড়া ঘটনা তদন্তে ডিআইজি প্রিজন এবং জেল সুপার পৃথক দু’টি কমিটি গঠন করেছেন।

জেল সুপারের গঠিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে কারা চিকিৎসক ডা.মোস্তাফিজুর রহমান ও দুজন ডেপুটি জেলার।

ডিআইজি (প্রিজন) অসীম কান্ত পালের গঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন তিনি নিজেই। অপর দুজন সদস্য হলেন, রাঙ্গামাটি কারাগারের জেল সুপার মাঈনুদ্দিন ভূঁইয়া এবং ফেনী কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম।

বাংলাদেশ সময়: ১২০০ঘণ্টা, জুন ০৮,২০১৪

এজলাস কক্ষে খুন, গাফিলতি আছে কিনা খোঁজা হচ্ছে
এবার আসছে ‘লেডি কিলার ২’
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে আইনজীবী নিয়োগ
এজলাসে বিচারকও নিরাপদ নন: রিজভী
গাজীপু‌রে তুরাগ নদ থে‌কে ক‌লেজছা‌ত্রের মর‌দেহ উদ্ধার


অনলাইনে পোশাক কেনার সময় করণীয়
ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে ডিসিদের নির্দেশ
বিশ্বের সবচেয়ে দুরূহ সড়কের রেকর্ড ‘হার্লেক স্ট্রিট’র 
বোদায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
আত্রাই নদের পানি বিপদসীমার ৫০ সে.মি.ওপরে