অভিযোগের পাহাড় ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে

396 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে নগরীর বেসরকারি বেসরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছরেও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য চাকুরি বিধিমালা প্রণয়ণ করা হয়নি।

চট্টগ্রাম: কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে নগরীর বেসরকারি বেসরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছরেও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য চাকুরি বিধিমালা প্রণয়ণ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য নামে মাত্র ট্রাস্টি বোর্ড, সিন্ডিকেটসহ বিভিন্ন পর্ষদ গঠন করা হলেও এসবের পর্ষদ কার্যত ব্যক্তিবিশেষের আজ্ঞাবহ বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, দেশী বিদেশী আর্থিক অনুদানে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে।

এ ধরণের পরিস্থিতিতে অনিয়ম ও অব্যস্থাপনার বিরুদ্ধে গত ১৮ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। গত শনিবার থেকে বিভিন্ন দাবিতে এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরাও। আন্দোলন চলাকালে প্রতিদিনকার মতো রোববারও সকালে ক্যাম্পাসে ৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে আন্দোলনকারিরা। এতে ক্লাস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি, বন্ধ ছিলো প্রশাসনিক কার্যক্রমও। এছাড়া, একইদিনে আন্দোলনকারিদের সঙ্গে ড্যাব নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে আন্দোলনের সঙ্গে একত্মতা পোষণ করেছে ড্যাব।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ‘জনসেবা ফাউন্ডেশন’র নামে দেশী-বিদেশী অনুদান নিয়ে ১৯৮৯ সালে ইউএসটিসি প্রতিষ্ঠিত হয়। জনসেবার উদ্দেশ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন তা সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষা বাণিজ্য করছে।

অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ডা. রেজাউল করিম ফোনে কথা বলতে অসম্মতি জানিয়ে সরাসরি দেখা করতে বলেন। পরে, রবিবার সকালে তার কার্যালয়ে গেলে তার কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এসময় তার সঙ্গে আবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দেখা করতে বলে ফোন রেখে দেন। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার ড. শামস উদ দোহা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ ইফতেখারুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

২৫ বছরেও হয়নি চাকুরি বিধিমালা
ইউএসটিসি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখানকার শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য কোন চাকুরি বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের নিয়ম-মর্জি অনুযায়ী তারা কাজ করছেন। চাকুরি বিধিমালার দাবিতে বিভিন্ন সময় কর্মরতরা ফুঁসে উঠলে তাদের আশ্বাসের মুলো ঝুলিয়ে সময় পার করেছে প্রশাসন। সর্বশেষ দাবির মুখে, গত ২২ এপ্রিল একটি ‘পে-কমিশন’ গঠন করা হলেও ঠুনকো অযুহাতে গত ১৪ মে কমিশনের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা জানান, ইউএসটিসিতে স্থায়ীভাবে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয় না। অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক বিধিমালা অনুযায়ী লোক নিয়োগ করা হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ বছর চাকুরি করার পরও অনেককে স্থায়ী করা হয়নি।

অস্থায়ী নিয়োগ হওয়ায় চাকুরি নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অনিশ্চয়তার সুযোগে তাদেরকে নামে মাত্র বেতন দেওয়া হচ্ছে। মহার্ঘ্য ভাতা, মাতৃত্বকালিন ছুটিসহ কোন ধরণের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় না। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে কয়েকদিনের মধ্যেই চাকুরিচ্যুত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. কামাল উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘লুটপাটের উদ্দেশ্যেই মূলত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন পে-স্কেল নির্ধারণ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাত থেকে বার্ষিক আয় দেড়শো কোটি টাকার কাছাকাছি, কিন্তু মাসে কর্মরতদের জন্য এক কোটি টাকা খরচ করতে তাদের গায়ে লাগে।’

বেতন বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে একজন অধ্যাপক সর্বসাকুল্যে বেতন পায় ৪২ হাজার টাকা, কিন্তু নগরীর মা ও শিশু হাসপাতালে একই পদে একজন পান ৭৫ হাজার টাকা। অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তারও চেয়ে বেশী।’

তিনি আক্ষেপ করেন, ‘ছয় মাস আগে আমাদের এক সহকর্মী ক্লাস নেওয়ার সময় হার্ট এটাক করে মারা যান। কর্তব্যপালনকালে মৃত্যুর কারণে তার পরিবারকে সহায়তা দূরে থাক কার্যদিবসের একদিনের বেতনও বেশী দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো প্রশাসন।’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অাইন ২০১০ অনুযায়ী, সিন্ডিকেটের অনুমোদক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক বেতনক্রম নির্ধারণের কথা।

চ্যান্সেলর মনোনীত ভিসি-প্রোভিসি নেই
ইউএসটিসিরি সাবেক উপাচার্য ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম মারা যান ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে। এরপর থেকে এখনো পর্যন্ত আচার্য (চ্যান্সেলর) মনোনীত ভিসি নেই। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সুপারিশে ওই শীর্ষ দুই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দুইজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, নিজেদের আজ্ঞাবহ প্রশাসন নিশ্চিত রাখতে ট্রাস্টি বোর্ডের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি মনোনীত উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে গাফেলতি করছেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অাইনে উপাচার্য, উপা-উপাচার্য ও ট্রেজারার নিয়োগের জন্য বোর্ড অব ট্রাস্টিজ আচার্য (রাষ্ট্রপতি) বরাবর সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু, ইউএসটিসির ট্রাস্টি বোর্ডের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে শিক্ষকমহলে।

শুধু ট্রাস্টি বোর্ড নয়। একই ধরণের অভিযোগ রয়েছে সিন্ডিকেটসহ অন্যান্য পর্ষদগুলোর বিরুদ্ধেও।

নামে মাত্র পর্ষদ!
ইউএসটিসি পরিচালনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হলেও এ বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে খোদ প্রতিষ্ঠানটির কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের।

বর্তমানে ইউএসটিসি ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্যোক্তা প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের ছেলে আহমেদ ইফতেখারুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে মেয়ে ডা. নিনা ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন।

আন্দোলন সমন্বয় পরিষদের ডা. কামাল উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘ট্রাস্টি বোর্ডের ছয়জন সদস্যের মধ্যে চারজনই চেয়ারম্যানের পরিবারের আত্মীয়। ফিরোজ খান নুন নামে একজন রয়েছেন যিনি দেশেই থাকেন না। যার কারণে মূলত চেয়ারম্যান যা বলেন তাই হয়, নামে মাত্র পর্ষদ। ট্রাস্টি বোর্ডে সরকারেরও কোন প্রতিনিধি নেই।’

জনসেবার নামে শিক্ষা বাণিজ্য!
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় একসময় সুনাম ছিলো ইউএসটিসির। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে ‍শিক্ষা বাণিজ্য নিয়ে জড়িয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বানিজ্যের উদ্দেশ্যে এমনকি তোয়াক্কা করছেন না সরকারি নিয়ম-নীতির।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলে সবচেয়ে বেশী অনিয়ম। এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থীদের গুনতে হয় ১২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। মূলত বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করে এ টাকা আদায় করা হয়। ভর্তি পরীক্ষার পর মেধা তালিকায় থাকা নামে মাত্র কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে ভর্তি করানো হলেও পরবর্তী প্রতিটি অপেক্ষমান তালিকার জন্য রীতিমতো দরদাম হাকে প্রতিষ্ঠানটি। যে যত বেশী টাকা দিতে পারে তাকেই ভর্তি করানো হয়। টাকাগুলো নেওয়া হয় জনসেবা ফাউন্ডেশনের নামে।

একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ভর্তির সময় তাদের কাছ থেকে ‘জনসেবা ফাউন্ডেশন‘র নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হলেও কোন রশিদ দেওয়া হয়নি।

দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে অভিন্ন পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও মামলার সুযোগ নিয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটিতে ২০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ থাকলেও ৪০০ থেকে ৪৫০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে, বাড়ছে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় গত সপ্তাহে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত ক্লাস, হলরুম, ল্যাব সুবিধা নেই। দুই তিনজন শিক্ষক দিয়েও অনেক বিভাগ চলছে।

এমবিবিএসের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের ক্লাসে শিক্ষার্থী রয়েছে ৪২৩ জন। কিন্তু এতজন একসঙ্গে বসার মতো কোন হলরুম নেই। সবার দৃষ্টি থাকে ওই অডিটোরিয়ামের দিকে। কিন্তু এভাবে তো বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। তারা আমাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিবে, অথচ, নামেমাত্র সুযোগ সুবিধা দিবে না।’

বিএমডিসির সনদ বন্ধ, দিচ্ছে না আইইবিও
ইউএসটিসির শিক্ষার্থীর জন্য নিবন্ধন বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। প্রতিষ্ঠানটি দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ করে।

বিএমডিসি সূত্র জানায়, নিয়ম বর্হিভূতভাবে ধারণক্ষমতার অধিক পরিমাণ শিক্ষার্থী ভর্তির কারণেই মূলত প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন বন্ধ করা হয়েছে। কাঙ্খিত মান উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একাধিকবার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তারা তা মানেনি। বরং, বিএমডিসির এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্থ করে শিক্ষা ব্যবসা চালাচ্ছে। ফলে, বিশ্ববিদ্যালয়টির এমবিবিএস এর ২৫ তম ব্যাচ থেকে এ নিবন্ধন বন্ধ রয়েছে।

একইভাবে শিক্ষা বাণিজ্যের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রকৌশল শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য সনদ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইইবি)।

সপ্তম দিনের কর্মবিরতি, ড্যাবের সঙ্গে মতবিনিময়:
আন্দোলনের সপ্তম দিনও রোববার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা  পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেছে আন্দোলনকারিরা। এসময় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতাদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভায় মিলিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ইউএসটিসি কারো পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বৈধ ফোরামের অনুমোদন ছাড়াই এখন জনসেবা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা লুটপাট করা হচ্ছে। ইউএসটিসি’র এমপ্লয়ীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের ন্যায্য মজুরী ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত অথচ ট্রাস্ট্রি বোর্ডের দুই কর্তা ঢাকায় বসে প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়মের কল কাঠি নাড়ছে।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামে অবস্থিত ইউএসটিসি’র পরিচালনা কার্যক্রম চট্টগ্রামে বসে করতে হবে। বর্তমানে এমবিবিএস-সহ সকল কোর্সের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম ঢাকায় গিয়ে সম্পন্ন করতে হচ্ছে। ঢাকায় গিয়ে আর জনসেবা ফাউন্ডেশনের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হবে না। ভর্তি ফি, টিউশন ফি ও অন্যান্য দান ও অনুদানের অর্থ ইউএসটিসি’র নামে চট্টগ্রামে সংরক্ষণ করতে হবে। ইউএসটিসি’র অর্থ জনসেবা ফাউন্ডেশনের হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না।

ড্যাব ইউএসটিসি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলমের সঞ্চালনায় এবং প্রফেসর ডা. কাজী রফিকুল হকের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, মহানগর শাখার সহ সভাপতি প্রফেসর আবদুল মোতালেব, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা তমিজ উদ্দিন মানিক, ইউএসটিসি ইউনিটের উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবদুল আহাদ মোহাম্মদ রায়হান চৌধুরী, ডা. শাহ নেওয়াজ সিরাজ মামুন, বিএমএ নেতা সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল কদির, ডা. আবু সাদাত মো. সাইফুদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী প্রমুখ।

এর আগে বিএমএ নেতাদের সঙ্গেও এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৭ ঘণ্টা, মে ২৫, ২০১৪

লেবার পার্টির শ্যাডো কেবিনেটে টিউলিপ
ফায়ার সার্ভিসের ল্যান্ড ফোন বিকল
মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি ভয়ংকর
ঢাকার বাইরে করোনা রোগী বেড়েছে
এটিএম বুথগুলোর সামনে ‘সামাজিক দূরত্ব’ মানা হচ্ছে না!


ফেনীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু
বগুড়ায় হতদরিদ্রদের ৫০ বস্তা চালসহ কৃষক লীগ নেতা আটক
সাহায্যের জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করবেন না: মুখ্যমন্ত্রী
সিলেটে প্রবাস ফেরত যুবককে কুপিয়ে খুন
নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন বাসার ছাদে সারারাত জামাতে নামাজ আদায়