এইচএসসি পরীক্ষা

চট্টগ্রাম বোর্ডে দুই কেন্দ্রের ট্রাংক বদল, প্রশ্নপত্র সংকটের আশঙ্কা

187 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডের দুটি কেন্দ্রের প্রশ্নপত্রের ট্রাংক বদলে গেছে। এতে ওই দুটি কেন্দ্রে অবজেকটিভ প্রশ্নপত্রের সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
php glass

চট্টগ্রাম: বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডের দুটি কেন্দ্রের প্রশ্নপত্রের ট্রাংক বদলে গেছে। এতে ওই দুটি কেন্দ্রে অবজেকটিভ প্রশ্নপত্রের সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবদুল আজিজের গাফিলতির কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। এরআগে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সংকট দেখা দেয়। এ কারণে ওই কেন্দ্রে ৪৫ মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হয়। গুরুত্বপূর্ণ কাজে গাফিলতি করলেও এ পর্যন্ত ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড.পিযূষ দত্ত বাংলানিউজকে বলেন, দুইটা কেন্দ্রের ট্রাংক পাল্টে গেছে। তা পরে আমরা ঠিক করে নিয়েছি।

প্রশ্নপত্র ভর্তি ট্রাংক পাল্টে যাওয়ার ঘটনা স্বাভাবিক বলে মনে করছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। তিনি বলেন, ৯০০ ট্রাংকে করে চট্টগ্রাম বোর্ডের প্রশ্নপত্র আনা হয়েছে। এরমধ্যে দুইটা পাল্টে যেতেই পারে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ভর্তি দুটি ট্রাংক বদল হয়ে যাওয়ার কারণে টেনশনে রয়েছেন পরীক্ষা শাখার কমকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম বোর্ডের চেয়ারম্যান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

এসময় বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র আনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজের গাফিলতিকে দায়ী করা হয়। কাজে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেওয়াতে তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট শাখা।

আব্দুল আজিজকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়ার নিদ্ধান্তের কথা চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পিযূষ দত্ত স্বীকার করেছেন। তবে প্রশ্নপত্রের ট্রাংক ‍পাল্টে যাওয়ার ঘটনায় কারণ দর্শানো নোটিশের বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, বিভাগের যে কোন কারণে ব্যাখ্যা চাইতে পারি। এটা আমাদের ইন্টারনাল ব্যাপার, তেমন কোন বড় ঘটনা নয়।

বিতর্কিত ব্যক্তিকে কেন বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র আনার দায়িত্ব দেওয়া হলো এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,‘আমাকে কাউকে না কাউকে দিয়ে কাজ করাতে হবে। তাই যাকে দিয়ে কাজটি সহজে করাতে পারবো তাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যজনকে দায়িত্ব দিলে তিনিও যে ভুল করতেন না তেমন তো নয়।‘

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে বিজি প্রেস। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার সময় বাশখালীর একটি কেন্দ্রে অবজেকটিভ প্রশ্নপত্র কম ‍পাওয়া যায়। পরে ফটো কপি করে পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষার আগেই ফটো কপি করে প্রশ্নপত্র দিলে গোপনীয়তা রক্ষা হলো কিভাবে। এছাড়া বিজি প্রেস থেকে আনা নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রশ্নপত্র কোথায় গেল।

উলট পালটের ঘটনা দেখিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয় বলে ধারণা করছেন তারা।

সূত্র জানায়, নগরীর আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ কেন্দ্র, সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা ও কাউখালীতে তিনটি কেন্দ্রে ট্রাংক বদল হয়ে যায়। তবে কোন কেন্দ্রের ট্রাংক কোন কেন্দ্রে গেছে তা সঠিক জানা যায়নি।

কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র সংকটের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র সংকটের বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

বাংলাদেশ সময়:০০০২ঘণ্টা, এপ্রিল ০৩, ২০১৪

দুর্বৃত্তের হামলায় মহিলা আইনজীবী নিহত
মালিবাগে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনা তদন্তে সিটিটিসি
উত্তরায় চুরির মামলায় নারীসহ গ্রেফতার ৫
কালিগঞ্জে মেজ ভাইয়ের দায়ের কোপে সেজ ভাই নিহত
পণ্ডিত ও দার্শনিক ইবনে খালদুনের জন্ম


বৃষ্টিতে পণ্ড দক্ষিণ আফ্রিকা-উইন্ডিজ প্রস্তুতি ম্যাচ
জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫
গুলিস্তানে ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক
ঈদের পোশাকের টাকা না দেয়ায় ছেলের হাতে প্রাণ গেলো মায়ের
‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে ২০১৯’ উদযাপন