কুকুর লেলিয়ে হত্যা

সাক্ষ্যগ্রহণে আসামীপক্ষের বিরুদ্ধে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ

58 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: হিমু

walton
কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মেধাবী ছাত্র হিমু হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণে আসামীপক্ষের আইনজীবীর বিরুদ্ধে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী ও অতিরিক্ত মহানগর পিপি অনুপম চক্রবর্তী।
php glass

চট্টগ্রাম: কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মেধাবী ছাত্র হিমু হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণে  আসামীপক্ষের আইনজীবীর বিরুদ্ধে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী ও অতিরিক্ত মহানগর পিপি অনুপম চক্রবর্তী।

বুধবার চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সহীদুল ইসলাম সাক্ষ্যগ্রহণের সময় রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী এ অভিযোগ তুলেন। এসময় তিনি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য টানা সময় নির্ধারণেরও আবেদন জানান।

আদালত আগামী ৮ ও ৯ এপ্রিল পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন।

অতিরিক্ত মহানগর পিপি অনুপম চক্রবর্তী বাংলানিউজকে বলেন, আসামীর আইনজীবীরা অহেতুক একই প্রশ্ন বারবার করে সাক্ষীকে বিভ্রান্ত করছেন। পাশাপাশি তারা আদালতের সময়ও নষ্ট করছেন। আমি বারবার অভিযোগ করলেও আসামীপক্ষের আইনজীবীরা সময়ক্ষেপণের কৌশল অব্যাহত রেখেছেন। এজন্য আমি একটানা সাক্ষ্যগ্রহণের আবেদন জানিয়েছি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার আদালতে সাক্ষী ও মাদকবিরোধী সংগঠন ‘শিকড়’র সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়বকে জেরা করেছেন আসামী শাওন ও সাজু’র আইনজীবীরা। সাজু’র আইনজীবীর জেরা বর্তমানে অসমাপ্ত অবস্থায় আছে।

এর আগে মঙ্গলবার আবু তৈয়ব আদালতে সাক্ষ্য দেন। এসময় তিনি মৃত্যুশয্যায় হিমাদ্রি মজুমদার হিমু’র বক্তব্যের রেকর্ড আদালতে জমা দেন।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ‘ফরহাদ ম্যানশন’ নামের ১০১ নম্বর বাড়ির চারতলায় হিমুকে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দিয়ে নিমর্মভাবে নির্যাতন করে সেখান থেকে ফেলে দেয় অভিজাত পরিবারের কয়েকজন বখাটে যুবক। 

গুরুতর আহত হিমু ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২৩ মে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। হিমু পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ইংরেজি মাধ্যমের সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘এ’ লেভেলের শিক্ষার্থী ছিল।

এ ঘটনায় হিমুর মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিত বাদি হয়ে পাঁচলাইশ থানায় পাঁচজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামি হলেন, জাহিদুর রহমান শাওন, জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ এবং তার বাবা শাহ সেলিম টিপু, শাহাদাত হোসেন সাজু ও মাহবুব আলী ড্যানি।

২০১২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ওই মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচজন আসামীকে অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়।

১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর পর এ পর্যন্ত শুধুমাত্র মামলার বাদি শ্রীপ্রকাশ দাশ অসিতের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ঘণ্টা, এপ্রিল ০২,২০১৪

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
‘কাটার দরকার নেই, ধানের ন্যায্য মূল্য চাই’
প্রেমিক আটক নিয়ে গ্রামবাসী-পুলিশ তুলকালাম
হারের পর গোমর ফাঁস, মধ্য প্রদেশ কংগ্রেসে দ্বন্দ্ব
এক ম্যাচ দিয়েই ভারতকে বিচার করতে চান না টেন্ডুলকার


বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা নিয়োগ
রাজউকের বাধার পরেও উঠে গেলো ৮ তলা ভবন!
মাগুরায় ২ ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত দুই 
গাবতলী বাস টার্মিনালে নেই টিকিটপ্রত্যাশীদের ভিড়
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু