php glass

শোধ নিতে স্বর্ণ চালানের তথ্য ফাঁস!

180 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton
বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুটি পক্ষের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মঙ্গলবার সবচেয়ে বড় চালানটি ধরা পড়েছে।

চট্টগ্রাম: স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুটি পক্ষের মধ্যে আর্থিক লেনদেন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মঙ্গলবার সবচেয়ে বড় চালানটি ধরা পড়েছে।

বিমান ও সিভিল এভিয়েশনের সহায়তাকারী কর্মকর্তাদের একটি অংশও চালানের অর্থ পাননি। ফলে এত বড় চালানটি পাচারে তারা কোন ধরণের সহযোগিতা করেনি।

এছাড়া সম্প্রতি বিমানের পরিচ্ছন্ন কর্মীর কাছ থেকে সাড়ে তিন কেজি স্বর্ণ আটকের ঘটনায় দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ পরিচ্ছন্ন কর্মীরা চালানের তথ্য ফাঁস করে দেন।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র এসব তথ্য বাংলানিউজকে জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা বিভাগের তিনজনের একটি চক্র জড়িত। তারাই মূলত স্বর্ণ বহনকারীদের প্রটোকল দিয়ে থাকেন। এছাড়া বিভিন্ন গেইটে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করেন।

সূত্র জানায়, সিভিল এভিয়েশনের স্ক্যানার মেশিন অপারেটর রিয়াদ, নিরাপত্তা রক্ষী মো. হাসান ও মো. কাদের স্বর্ণ চোরাচালান চক্র নিয়ন্ত্রণ করেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ করেন হাসান। আর ট্রলিম্যান সুমন, ওবায়েদ ও মোস্তফা দুর থেকে বহনকারীদের প্রটোকল দিয়ে থাকেন।

চোরাচালান চক্রে নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে স্ক্যানার মেশিন অপারেটর রিয়াদ বাংলানিউজকে বলেন, এসব কাজের সঙ্গে কাস্টমস ও বিমানের লোকজন জড়িত।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য হাসানের মোবাইলে কল দেওয়া হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ আমানত বিমানবন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার নুর-ই-আলম বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের বিভাগের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পাইনি।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে ১০৭ কেজি ওজনের ৯২৩ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এসব স্বর্ণের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। |

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ধরা পড়া স্বর্ণের এটিই সবচেয়ে বড় চালান। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাত যাত্রী এবং সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনসহ মোট ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার বেলা ১১টা পাঁচ মিনিটের দিকে দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-০২৬ ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়।

যাচ্ছিল শাহ জালাল বিমানবন্দরে:
চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে স্বর্ণের সবচেয়ে বড় চালান আটকের পর বিমানবন্দরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার মাসুদ সাবিক সাংবাদিকদের বলেন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে আসা সবচেয়ে বড় স্বর্ণের চালানটি ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলে যেতো। কাস্টমস কর্মকর্তাদের তৎপরতায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব যাত্রী স্বর্ণগুলো বহন করেছেন তারা ঢাকা শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তাদের তল্লাশিতে ধরা পড়ে যান। 

কাস্টমস কমিশনার জানান, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবাই থেকে আসা সাতজন যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। পরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের তিন যাত্রীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।

এই তিনজন যাত্রীই ঢাকা থেকে স্বর্ণগুলো গ্রহণ করতেন বলে ধারণা করছেন কাস্টমস ও বিমানের কর্মকর্তারা।

কোন সময়ে কোন কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকেন আর বিমানের রোস্টারও চোরাচালান চক্রের নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ সময়: ২২৫২ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১৪ 

চেকপোস্টে দুর্বৃত্তের হামলায় ৩ পুলিশ আহত, অস্ত্রসহ আটক ২
পাবনায় সরকারিভাবে আমন সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু
বায়িং হাউজগুলোর দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোরারোপ
ওয়ারীতে দেশি অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত আটক
সিলেটে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার


কেরানীগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশাযাত্রী নিহত
পাইকগাছায় ঘের ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা 
দুর্গাসাগর দীঘিতে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সারাদেশের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অবদান লিপিবদ্ধ করার দাবি